অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অগ্রগতি আশাব্যাঞ্জক, তবু কোবানীর পতন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে: জেনারেল অষ্টিন


ইরাকে, সিরিয়ার সীমান্ত অধ্যুষিত কোবানী শহরের দখল নেয়ার জন্য কুর্দিবাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামিক ষ্টেট জঙ্গীরা। আর তাতে কুর্দি সেনাদের সহায়তায় বিমান হামলা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী। কোবানী শহর দখলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে ঝরে গেছে সাড়ে ছয়’শরও বেশী প্রাণ। যুক্রাষ্ট্রের শীর্ষ সেনা কমান্ডার জানিয়েছেন সর্বশেষ অগ্রগতির কথা। এ সংক্রান্ত ভয়েস অব আমেরিকার রিপোর্ট শোনাচ্ছেন সেলিম হোসেন:

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাস্ট্র বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল লয়েড অস্টিন বলেছেন ইরাক ও সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে অভিযানে কাংখিত প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, তবে আরো সময় লাগবে।

শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন যুক্তরাস্ট্রের সেনাবাহিনীর মূল লক্ষ হচ্ছে জঙ্গীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে ইরাকী বাহিনীকে সহায়তা করা।

“আমরা শত্রু পক্ষের মনোভাব কিংবা তাদের কৌশল পরিবর্তন লক্ষ্য করছি, যা তাদের সামর্থ্য বুঝতে সহায়ক হয়। উদাহরনস্বরূপ, আমরা তাদেরকে আর বড়সড়ো বহর নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখছি না। এখন তারা বেশিরভাগ সময় ছোট ছোট ভাগে সিভিলিয়ান গাড়ী নিয়ে ঘুরছে। এতে তাদের অভিযান পরিচালনার সামর্থ্য কমছে, কমছে যুদ্ধের শক্তিও”।

ইসলামিক ষ্টেট জঙ্গীরা সিরিয়ার সীমান্ত শহর কোবানী দখলের প্রাণপন চেষ্টা চালাচ্ছে গত প্রায় একমাস ধরে। কুর্দী সৈন্যরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধরত। আর তাতে কুর্দীপক্ষের সহযোগিতায় ইসলামিক ষ্টেটের বিরুদ্ধে বিমান হামলা বাড়িয়ে চলছে যুক্তরাষ্ট্র বাহিনী।

“আমরা যথার্থ আক্রমন চালিয়েছি; উদাহরণস্বরূপ; ISIL এর যোগাযোগ স্থাপনকারী যন্ত্রপাতি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। হামলা হয়েছে তাদের কমান্ড সেন্টারে, তাদের গাড়ীর পার্কিং লটে এবং ইরাকী সেনাবাহিনীর কাছ থেকে চুারি করে আনা ট্যাংক ও হামভিতে এবং ISIL এর দখলে থাকা সেই তেল শোধনাগারে। ISIL এই তেল শোধনাগার থেকে প্রচুর অর্থ আয় করছে। ফলে এই ধরনের স্থাপনায় আঘাত করে তাদের আর্থিক সামর্থ্য ভেঙ্গে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য”।

জেনারেল অষ্টিন আরো বললেন যুদ্দক্ষেত্রে অগ্রগতি খুবই আশাব্যাঞ্জক, কিন্তু তবুও কোবানীর পতন হওয়ার সম্ভাবনাও কম নয়। সিরিয়ান অবজারভেটরী ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে ইসলামিক ষ্টেট কোবানী শহরের দখল নেয়ার লক্ষ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৬৬০ জনেরও বেশী মানুষ মারা গেছেন।

XS
SM
MD
LG