অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গত চোদ্দ বছরে দেশ ছেড়েছেন প্রায় ৬১ হাজার ধনকুবের। শুধু অন্য দেশে যাওয়াই নয়, সেখানে পাকাপাকি বসবাসের বন্দোবস্তও করেছেন তারা। দেশের অযৌক্তিক কর ব্যবস্থা নিরাপত্তাহীনতা এবং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অসন্তোষের কারণেই তারা দেশ ছেড়েছেন বলে এক রিপোর্টে প্রকাশ। নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়েল্থ এবং এম আই ও গ্লোবাল....এই দুই আন্তর্জাতিক মানের সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বাসস্থান বিষয়ক রিপোর্ট তৈরী হয়েছে বলে জানা গেছে।

সেই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে এক দেশ থেকে অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার প্রবণতা চলতি সহস্রাব্দের শুরু থেকে বিশ্বজুড়েই ব্যাপকহারে বেড়েছে।ভারতে এই সংখ্যাটা 61 হাজারের আশেপাশে।

রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে ভারত থেকে শহুরে ধনকুবেরদের অন্য যে সমস্ত দেশে চলে যাওয়ার প্রবণতা বেশী দেখা যাচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রিটেন আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া।

ভারতের রাস্তায় দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। একটি সরকারি হিসেবে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালে দেশের সড়কগুলিতে যে মোট সাড়ে চার লক্ষ দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাতে মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ হাজার মানুষের। আহত হয়েছিলেন ৪ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ। মৃত্যুর সংখ্যা ২০১৩-র চেয়ে ৩% বেশি। আরেকটু খুঁটিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, ২০১৪-য় দেশের পথে পথে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে মারা গিয়েছিলেন ১৬ জন মানুষ। বা, প্রায় প্রতি চার মিনিটে এক জন। মোট দুর্ঘটনার ৪০% ঘটেছে দেশের মাত্র পাঁচ রাজ্যে - তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ আর কেরলে। দু চাকার গাড়ির ১৪ হাজার চালক মারা গিয়েছেন এই এক বছরে। অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণেই সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। কৌতূহলোদ্দীপক একটি তথ্য হল, মাওবাদীদের বা উগ্রপন্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে যত না আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ঘায়েল হন, তাঁদের তার চেয়েও বেশি, বা ৩২% মৃত্যু হয় পথ দুর্ঘটনায়। স্কুল-কলেজের সামনের সড়কে যত দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা মোট দুর্ঘটনার ৫% বলেও জানা যাচ্ছে এই সমীক্ষা থেকে।

XS
SM
MD
LG