অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

লিবিয়ায় বিমান হামলা ও বিক্ষোভ অব্যাহত; সীমান্তে সশস্ত্র লিবিয় সেনার অবস্থান গ্রহণ


রাস লানুফ এ বিদ্রোহী

রাস লানুফ এ বিদ্রোহী

লিবিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রাজধানী ত্রিপোলিতে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে এবং পুর্বাঞ্চলেও গুরুত্বপূর্ণ তেল সমৃদ্ধ এলাকায় সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াই হয়েছে।

শুক্রবার ত্রিপোলিতে, যেখানে শত শত সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারী সমবেত হয়েছে সেখানে বন্দুকের গুলির শব্দ শোনা যায়। প্রত্যক্ষদর্শিরা বলছেন যে মোয়াম্মার গাদ্দাফির প্রতি বিশ্বস্ত বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর কাদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
অনেক বিক্ষোভকারী শ্লোগান দেন, “গাদ্দাফি আল্লাহর শত্রু”।

পুর্বাঞ্চলের তেল সমৃদ্ধ বন্দর রাস লানুফ এ ও গাদ্দাফির সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

শুক্রবার আরো আগের দিকে লিবিয়ার জঙ্গি বিমানগুলি, বিদ্রোহীদের দখলে থাকা পুর্বাঞ্চলের আজদাবিয়া শহরের ওপর আঘাত হানে। তবে ঐ ঘাটিতেঁ অবস্থিত বিদ্রোহীরা বলছে যে ঐ আঘাতে তেমন কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি।

জাতিসংঘের শরনার্থি সংস্থা বলছে যে লিবিয়া থেকে তিউনেশিয়ায় সীমান্ত অতিক্রমকারী লোকজনের সংখ্যা হঠাৎ প্রচন্ড ভাবে কমে গেছে কারণ লিবিয়ার সৈন্যরা তাদের সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে।

শরানার্থি বিষয়ক জাতিসংঘের হাই কশিনারের মুখপাত্র মেলিসা ফ্লেমিং শুক্রবার বলেন ভারি অম্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত লিবিয়ার সৈন্যরা তাদের সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার শরনার্থিদের সীমান্ত পারপার ২০০০ এ নেমে আসে। এর আগে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার লোকজন সীমান্ত পার হতো।

এ দিকে হাজার হাজার বাংলাদেশি, লিবিয়ার সীমান্তে ভীড় জমিয়েছে এবং তার স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের প্রতিক্ষায় আছে। দ্য অ্যাসোসিয়েঠেড প্রেস বলছে যে অন্তত ৬ হাজার বাংলাদেশি আজ লিবিয়া ও তিউনেশিয়ার সীমান্ত এলাকার একটি শিবিরে সমবেত হয়েছে।

XS
SM
MD
LG