অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দায়িত্ব এড়াতে চান না মার্কেল


German Chancellor Angela Merkel listens to Chinese President Xi Jinping's speech during the opening ceremony of the G20 Leaders Summit in Hangzhou, Sept. 4, 2016.

German Chancellor Angela Merkel listens to Chinese President Xi Jinping's speech during the opening ceremony of the G20 Leaders Summit in Hangzhou, Sept. 4, 2016.

নির্বাচনে হেরে যাওয়ার দায়িত্ব এড়াতে চান না জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। তাই তিনি বলেছেন, কাকে দায়ী করবো? আমি নিজে পার্টি প্রধান, আমি চ্যান্সেলর। জনগণতো সবই জানে। তাদের চোখেতো ধুলা দিতে পারি না। অন্য কাউকে দায়ী করার আগে নিজেকেই এর জন্য কমবেশি দায়ী করবো। নিজ নির্বাচনী এলাকা মেকলেনবার্গ-এ হেরে যাওয়ার পর চীনে বসে এই প্রতিক্রিয়াই ব্যক্ত করলেন অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন চলাকালে মার্কেল নির্বাচন ও শরনার্থী সমস্যা নিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের জবাব দেন। বলেন, অবশ্যই এটা শরণার্থী নীতির কুফল। বিরোধীরা এটাকে উস্কে দিয়েছে। জনগণকে বলেছে, শরণার্থী গ্রহণ করায় দেশ যায়-যায়। মার্কেল বলেন, মেকলেনবার্গের নির্বাচন তার দল ও জোটের জন্য ‘ওয়েক- আপ কল’ এতে কোন সন্দেহ নেই।
মাত্র তিন বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ‘অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি’ (এএফডি) পার্টির উত্থানে মার্কেল যে চিহ্নিত তা তার কথা থেকেই স্পষ্ট। তিনি বলেছেন, অবশ্যই সরকারের নীতি কৌশল নিয়ে ভাবতে হবে। মার্কেলের শরিক ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন পার্টি শরনার্থী নীতির সমালোচনা করেছে। নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর পার্টির প্রেসিডেন্ট হর্স্ট সিহোফার বলেছেন, সরকার কি চায় তা দেখার সময় এসেছে। চোখ বুঝে বসে থাকার সময় নেই। তিনি বলেন, মার্কেলকে কতো করে বলেছি, জনমত বিরুদ্ধে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি তাতে কান দেননি। বার্লিনের রাজনীতি নিয়েই তিনি বসে থাকলেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম প্রতিষ্ঠিত ‘অলটারনেটিভ ফর জার্মানি’র উত্থানে জার্মান রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এতে সংখ্যালগু মানুষ ও দলের মধ্যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে। জার্মান জিউস কাউন্সিলের তরফে এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, এটা জার্মানির উদার রাজনীতিকে নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
লন্ডন থেকে মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট।


XS
SM
MD
LG