অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইউরোপীয় দেশগুলোর সীমান্তে সাড়ে তিন লাখ অভিবাসন প্রত্যাশী



হাজার হাজার যে অভিবাসি হাঙ্গেরীতে প্রত্যাখ্যাত হন, সেই তাঁরাই এখন গিয়ে পৌঁচুচ্ছেন অস্ট্রিয়ায়- যেখানে তাঁদেরকে প্রবেশের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে-আশ্রয় প্রার্থনার সুযোগ দেওয়া হবে বলে বলা হয়েছে।ঐসব অভিবাসিকে অস্ট্রিয়ায় স্বাগত: জানানো হয়- ব্যাগ ভর্তি ত্রান সামগ্রী হাতে তুলে দিয়ে-ঘুমোবার জন্যে তাঁদেরকে যায়গা করে দিয়ে।এঁদের কেউ কেউ আরো সামনের পানে এগিয়ে পথ চলার ইচ্ছে প্রকাশ করছেন।বুদাপেস্ট এসেছেন যাঁরা, সেই সকল অভিবাসিকেই জার্মানী নেবে বলেই শুনেছি- জানিনা সঠিক কিছু- তবে, সেটাই মনে হচ্ছে।

আজ শনিবারেও এঁরা গিয়ে পৌঁচুচ্ছেন। ইতিমধ্যে, লুস্কেমবুর্গে- লাগাতার এই যে অভিবাসি এসে হাজির হচ্ছেন এঁদেরকে নিয়ে কি করা যায় সে বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিলে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন। যেমনটি কিনা অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেব্যাস্টিয়ান কুর্য বললেন-আমি চাই নিয়ন্ত্রিত একটা কোটা সিস্টেম করা হোক- য়ুরোপিয় য়ুনিয়নভুক্ত অপর আঠারোটি দেশ মিলিয়ে যে সংখ্যায় শরনার্থী রয়েছেন, আমাদের এখানে রয়েছেন সেই সংখ্যাতেই। এভাবে তো দীর্ঘদিন চলতে পারেনা। আর সে জন্যেই ঐ কোটার প্রয়োজন।

শুক্রবার বুদাপেস্টে হাঙ্গেরীর মূল ট্রেন স্টেশান থেকে রওনা হতে পেরেছেন যে অভিবাসিরা তাঁরা চার শ’ আশি কিলোমিটার দূরের জার্মানী অভিমুখে রওনা হন শুক্রবারদিন এবং এর পর পরই হাঙ্গেরী, অস্ট্রিয়ার সীমান্ত অব্দি তাঁদেরকে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বাস পাঠায়।অভিবাসি যাঁরা তাঁরা যে কোনো অবস্থাতেই আশায় বুক বেঁধে এগিয়ে চলছেন।

আমাদের তো সম্বল বলতে-টাকা পয়সা, নেই কিছুই।ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত আমরা-অভুক্ত আমরা।সামনে যাই আসবে তা শূভ হবে বলেই বিশ্বাস আমাদের।

শরনার্থীদের অধিকাংশই হাঙ্গেরীতে আটকিয়ে পড়ার আগে,হাজত বাসের ভয়ে পালাতে- জার্মানী যাওয়ার কথা বলেছিলেন।

ফ্রান্স-জার্মানী ও ইটালীর নেতারা বলছেন- আবশ্যিক শর্তে,ন্যায়ানুগ তরিকায়, ভাগাভাগি করে নিতে হবে এই শরনার্ষীদেরকে গোটা য়ুরোপিয় য়ুনিয়নের মধ্যে। তবে প্রকাশ্যে, কোনো দেশই এ মতের সঙ্গে সহমত ব্যক্ত করেনি এখনো অব্দি।আটাশ সদস্যের য়ুরোপিয় য়ূনিয়ন শরনার্থীদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসার চিন্তা করছে সেপ্টেম্বরের চোদ্দ তারিখে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সীমান্তে কমপক্ষে সাড়ে তিন লাখ অভিবাসন প্রত্যাশী মানুষ জড়ো হয়েছেন আশ্রয়ের জন্য। এই সংখ্যা ২০১৪ সালে সারা বছরে ছিল ২ লাখ ৮০ হাজার। অভিবাসীদের আশ্রয় সন্ধান এবং উদ্বাস্তু ও শরণার্থী বৃদ্ধি সম্পর্কে বিশ্লেষণে ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক এবং অভিবাসন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর আবরার চৌধুরী। ঢাকা থেকে জানাচ্ছেন আমীর খসরু:

XS
SM
MD
LG