অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অভিবাসী বিরোধী গণভোটের ফলাফল বাতিল করে দিয়েছে হাঙ্গেরিয়ান জাতীয় কমিটি। ভোটার উপস্থিতি ন্যূনতম ৫০ শতাংশের কম হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রোববার অনুষ্ঠিত গণভোটে প্রায় ৯৮ শতাংশ ভোটার অভিবাসী কোটা পদ্ধতির বিপক্ষে ভোট দেয়। তবে ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ৪৪ শতাংশ।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান এই গণভোটের ফলকে অসাধারণ অ্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, শরণার্থী ও অভিবাসী গ্রহণে তার দেশকে বাধ্য করতে পারবে না ইইউ। তবে জাতীয় কমিটি গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করায় গণভোটের ফল নিয়ে সংসদে ভোট আয়োজনের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। সরকার অবশ্য বলছে, ফল যাই হোক না কেন তারা সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করবে। আর এ কারণে গণভোটের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকতে পারে।

গণভোটের ব্যালটে ভোটারদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছিল তারা হাঙ্গেরির সংসদের অনুমোদন ছাড়া ইইউ নির্ধারিত বাধ্যতামূলক অভিবাসী আশ্রয়ের কোটা চান কি না? প্রেসিডেন্ট অরবান ব্যালটে ‘না’ ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সরকার ভোটের ফলকে বিরাট জয় বলে দাবি করছে। তবে ভোটার উপস্থিতি ৫০ শতাংশের কম হওয়ায় বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা অরবানের জন্য লজ্জাজনক পরাজয়, তবে পুরোপুরি বিপর্যয়মূলক পরাজয় নয়।

উল্লেখ্য যে, ২০১৫ সালে হাজার হাজার শরণার্থী উত্তর ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য হাঙ্গেরির ভেতর দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। লন্ডন থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী।

XS
SM
MD
LG