অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী


La Première ministre Theresa May écoute un discours du président chinois lors de l'ouverture du G20 à Hangzhou, en Chine, le 4 septembre 2016.

La Première ministre Theresa May écoute un discours du président chinois lors de l'ouverture du G20 à Hangzhou, en Chine, le 4 septembre 2016.

নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন তেরেসা। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে এই প্রথম স্বীকার করলেন ব্রেক্সিটের পর তার দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে পড়েছে। তার মতে, এখন দরকার স্থিতিশীলতা, ব্রেক্সিটের ধকল কাটিয়ে ওঠা। গত ১৩ই জুলাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তেরেসা মে বলেন, এখন আগাম নির্বাচনের প্রসঙ্গইবা আসছে কেন? নির্বাচন হবে ২০২০ সনে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি এখন বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে। এক কঠিন সময় সামনে। এটা আমাদের বুঝতে হবে। বিবিসির ‘অ্যান্ড্রু মার শো’তে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাবা হয়েছিল ব্রেক্সিট কোন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু এখন বলতেই হচ্ছে, ব্রেক্সিট ইতিহাসের মুখোমুখি করেছে বৃটেনকে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন ২০১৭ সালের আগে ব্রেক্সিট নয়।
‘জি-২০’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেয়ার আগে দেয়া সাক্ষাৎকারে তেরেসা বলেন, এই মুহূর্তে তার অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশকে মূল ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনা। তিনি অবশ্য আশা প্রকাশ করেন, ব্রেক্সিট পরবর্তীতে মুক্ত বাণিজ্যে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বৃটেন। কারণ এখনও নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক অংশিদারিত্বের উত্তম জায়গা হচ্ছে বৃটেন।
লন্ডন থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী



XS
SM
MD
LG