অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আজ অসলোয় নোবেল শান্তি পুরস্কারের অনুষ্ঠান মুখরিত ছিল পাকিস্তান-ভারতের জয়গানে


আজ অসলোয় নোবেল শান্তি পুরস্কারের অনুষ্ঠান মুখরিত ছিল পাকিস্তান-ভারতের জয়গানে। মালালা ইউসুফযাই আর কৈলাস সত্যার্থী মঞ্চ উজ্জ্বল করলেন তাদের শান্তি অভিযানের স্বীকৃতি নিয়ে।

কৈলাস সত্যার্থী ও রোকেয়া হায়দার

কৈলাস সত্যার্থী ও রোকেয়া হায়দার

​ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস । এই দিনে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান । আর এ বছর দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এই পুরস্কারের গুরুত্ব অপরিসীম। শিশুদের দমন-নিপীড়ন থেকে রক্ষা করা, সকল শিশুর জন্য শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার দাবী নিয়ে এগিয়ে চলেছেন মালালা ইউসুফযাই আর কৈল্যাস সত্যার্থী। পাকিস্তানের প্রত্যন্ত সোয়াত উপত্যকার এক কিশোরী, বালিকাদের শিক্ষার দাবীতে সোচ্চার, বলিষ্ঠ কণ্ঠ মালালা গুলীর আঘাতেও দমে যায়নি – অসলোর মঞ্চে এগিয়ে এসেছে তার সেই অভিযানের দাবী নিয়ে।

​মালালার বক্তব্য অতি সহজ – ‘নীরব থেকে নিহত হওয়া, অথবা সোচ্চার হয়ে মৃত্যবরণ করা। আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিয়েছি’। আমাদের উর্দূ বিভাগের মাদিহা আনোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাতকারে মালালা বলেছে শিক্ষা হচ্চে জীবনের আশীর্বাদ। আমি একা নই, আমি বহু – আমি সেই ৬কোটি ৬০ লক্ষ কিশোরীর কণ্ঠ যারা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত’। ‘আমার এখন অনেক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সব ছেলেমেয়ে যাতে লেখাপড়ার সুযোগ পায়, সেই চেষ্টা করতে হবে’।

মালালা ইউসুফযাই ও মাদীহা আনোয়ার (ভিওএ উর্দূ সার্ভিস)

মালালা ইউসুফযাই ও মাদীহা আনোয়ার (ভিওএ উর্দূ সার্ভিস)

কৈলাস সত্যার্থী জন্ম ভারতের মধ্যপ্রদেশে। পেশায় প্রকৌশলী ছিলেন, কিন্তু সেই কাজটি ছেড়ে দিয়ে শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করলেন। তারপর দিল্লীর শিশু আশ্রমের প্রতিষ্ঠা। কৈলাস বলেছেন – ‘আজ আমি সেই নীরবতার, নিষ্পাপ শিশুদের, যাদের চেহারা আমরা দেখিনা, তাদের প্রতিনিধিত্ব করছি। লক্ষ কোটি শিশু যারা অবহেলিত, তাদের স্মরণ করেই আজ আমি এখানে আমার পাশে একটি খালি চেয়ার রেখেছি। আমি সকল শিশুর কণ্ঠ ও স্বপ্ন নিয়ে এখানে এসেছি কারণ তারা আমাদেরই সন্তান’। তিনি অবহেলা থেকে শিক্ষার লক্ষ্যে, দারিদ্র্য থেকে সমৃদ্ধির পথে, দাসত্ব থেকে মুক্তির এবং হানাহানি থেকে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

​পাকিস্তানের মানুষ কি বলছেন কি ভাবছেন আজ – কারচীতে রয়েছেন সংবাদ বিশ্লেষক মাসকাওয়াত আহসান। মাসকাওয়াত কি প্রতিক্রিয়া দেখছেন?

XS
SM
MD
LG