অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রিও মহানগরী মুখরিত ৩১তম অলিম্পিক প্রতিযোগিতার আনন্দে


রিও মহানগরী মুখরিত অলিম্পিক প্রতিযোগিতার আনন্দে। আর রিওর সমুদ্র সৈকতও মুখরিত অলিম্পিকের নানা অনুষ্ঠান আয়োজনে। প্রতিযোগিতার আগে অলিম্পিক পার্কের গেটেই উপহার সামগ্রী বিনিময় শুরু হয়ে গেছে। সিডনী মার্টিনেজ আগে ১৫টি অলিম্পিকের পিন সংগ্রহ করেছেন ঃ ‘আমি ১৬টি অলিম্পিকে গিয়ে ১৫টিতেই পিন বিনিময় করেছি’।

যুক্তরাষ্ট্রের বীচ ভলিবল কেলোয়াড়রা কোপা কাবানা সৈকতে খেলর বিষয়ে দারুণ উৎসাহিত। দলের সদস্য এপ্রিল রস বলেন- ‘সত্যি সত্যিই এই বিশেষ সৈকতে খেলবো ভাবাই যায়না। আমরা রোজই অনুশীলন করি কিন্তু এই সমুদ্র তীরে খেলা পরিবেশটাই পাল্টে দেয়’।

একটি দলে খেলছে সবাই শরণার্থী। দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া, গনপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, এবং ইথিওপিয়ার উদ্বাস্তু। ওদিকে মানবাধিকার সংস্থা এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব্রাজলে পুলিশী অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলো। ব্রাজিলে সংস্থার কর্মকর্তা রেনাটা নেডের বলেনঃ ‘গত তিন মাস ধরে এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্য্যন্ত রিওতে পুলিশের হাতে নিহতদের সংখ্যা ১শো শতাংশ বেড়েছে গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী’।

রাশিয়া সোচি শীতকালীন অলিম্পিকে শক্তিবর্ধক ওষুধ ব্যবহার করেছিল তার তথ্য প্রমান জানা সত্ত্বেও, অলিম্পিক কমিটি রাশিয়ার কয়েকজন খেলোয়াড়কে রাশিয়ার পতাকা নিয়েই রিওতে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।

আইওসি প্রেসিডেন্ট বলেনঃ ‘আপনি কোন সরকারের ব্যর্থতার জন্য সে দেশের মানুষকে শাস্তি দিতে পারেন না। তারা যদি কোনভাবে জড়িত না থাকে তা হলে তা করা যায় না’।

তবে World Anti Doping Agency WADAর প্রাক্তন এক প্রেসিডেন্ট ডিক পাউণ্ড বলেছেন ভিন্নভাবে এর বিচার করা যেতে পারতো - ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি আমরা একইভাবে একজনের অধিকার রক্ষা করতে পারতাম, আমরা বলতাম আপনি যদি কোনধরণের বলবর্ধক ওষুধ ব্যবহার করেননি তা হলে আপনাকে স্বাগত জানাই। আসুন অলিম্পিক পতাকার সঙ্গে। না রাশিয়ার পতাকা নিয়ে নয়, কারণ আপনার সরকারই তো সেই নিষিদ্ধ কাজটি করেছে’।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্ণালিস্টের কর্মকর্তা কোর্টনী রেডিশ বলেন- ‘সিপিজে গত তিন বছর যাবত আইওসির সঙ্গে আলোচনায় মিলিত হয়। কারণ আমরা দেখেছি অতীতে সুষ্ঠুভাবে খবরাখবর সংগ্রহ সরবরাহের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হযেছে, সাংবাদিকদের অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। সোচি ও বেজিংএ যা দেখেছি। এই লঙ্ঘনের অভিযোগ কেবল এবারই নয়, আগামী দিনেও যাতে একইভাবে অভিযোগ জানাবার ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সেটাই সিপিজের লক্ষ্য’।

তাই টমাস বাখের কাছে প্রস্তাব রাখা হয়। এবং এবার তা কার্যকর করা হবে। সিপিজে গত এক বছর ধরে এই ব্যবস্থা নিযে আইওসির সঙ্গে কাজ করেছে। সাংবাদিকরা ইমেলে তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন শুধু আইওসির কাছেই নয়, সিপিজের কাছেও ইমেইল পাঠাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শুক্রবার শেষপ্রান্তে গিয়ে স্টেডিয়ামে অলিম্পিক মশাল জ্বালিয়ে দেবেন কে? তা নিয়ে জোর জল্পনা কল্পনা চলছে। ব্রাজিল তথা বিশ্ব ফুটবলের যাদুকর পেলে কি? কার হাতে জ্বলে উঠবে এবারের মশাল।

এসব নিয়েই আজকের অলিম্পিক সমাচার শোনা যাক রোকেয়া হায়দারের কাছে :

XS
SM
MD
LG