অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সিরিয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সুক্ষ কুটনীতি বুঝতে হবে: অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান

  • আনিস অহমেদ


প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বি মিট রমনি , দ্বিতীয় দফায় Presidential বিতর্কে অংশ নিতে এখন থেকে কয়েক ঘন্টা পরই। এই বিতর্কের বিষয় বস্তু , বিশেষত পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ে ওবামা ও রমনির দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উইসকন্সিন বিশ্ববিদ্যালয়ের Rosebush Professor Emeritus বিশিষ্ট রাষ্ট্র বিজ্ঞানি অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান কথা বলেছেন ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলা বিভাগের সঙ্গে।

তিনি মনে কনে যে আসন্ন এই বিতর্কে অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক নীতি দুটোই প্রাধান্য পাবে, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি , আফ্রিকি-আরব দেশগুলোতে জাগরণের বিষয় এবং এ নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দের প্রসঙ্গটি উঠে আসবে। তিনি আশা করছেন যে প্রথম বিতর্কের তুলনায় এবারের বিতর্কে মি ওবামা জোরালো বক্তব্য রাখবেন । তাঁর প্রেসিডেন্ট সুলভ ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি , তিনি সম্ভবত রমনির বক্তব্য খন্ডন করবেন জোরালো ভাবেই ।

এবারকার এই বিতর্ক এই জিজ্ঞাসা-জবাবের আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সমস্যার পাশাপাশি পররাষ্ট্র নীতি নিয়েও আলোচনা হবে। বিশ্বে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মূল হোতা ওসামা বিন লাদেনকে ২০০১ সালে ওবামা প্রশাসন হত্যা করার পর ও রিপাবলিকানরা বলছেন যে মি ওবামার পররাষ্ট্রনীতি ব্যর্থ হয়েছে। অধ্যাপক জিল্লুর রহমান খান রিপাবলিকানদের এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন যে সত্য বটে আরব জাগরণের পর সেখানে স্বৈরশাসকের পতন ঘটলেও কোথাও কোথাও উগ্রপন্থিরা চলে এসছে , যে জন্যে ওবামার সমালোচনা করছেন রিপাবলিকানরা। কিন্তু গণতন্ত্র সব সময়ে নিষ্কন্টক হয় না। সেখানে ঝুঁকি রয়েছে এবং এর জন্যে ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়।

লিবিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতসহ কুটনৈতিক কর্মীদের নিহত হওয়া শুধু নয় , কোন কোন বিশ্লেষক সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা পালনের ব্যর্থতার প্রশ্ন ও তুলেছেন। তবে অধ্যাপক খান এটিকে ব্যর্থতা বা নিস্ক্রিয়তা বলে মনে করেন না। তিনি মনে করেন যে সিরিয়ার পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল । শিয়া প্রধান রাষ্ট্র হবার কারণে সিরিয়ার প্রতি ইরানের যে সমর্থন এবং চীন ও রাশিয়াও যে সমর্থন দিচ্ছে সিরিয়াকে তার পেছনে তাদের নিজেদের দেশে উগ্রপন্থিদের উত্থানের আশংকাও কাজ করছে। সুতরাং সিরিয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি অত্যন্ত সুক্ষ।

XS
SM
MD
LG