অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চান সু সম্পর্ক


পাকিস্তানের রক্ষনশীল রাজনীতিক যিনি আগামি প্রধানমন্ত্রী হবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন , বলেছেন যে তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতে চান তবে হুশিয়ার করে দিয়েছেন যে ড্রোন হামলার বিষয়ে ইসলামাবাদের উদ্বেগকে ওয়াশিংটনের গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া দরকার । নেওয়াজ শরিফ আজ লাহোরে সংবাদদাতাদের সঙ্গে কথা বলেন। এর দুদিন আগের নির্বাচনে তার পাকিস্তান মুসলিম লীগ সরকার গঠনের জন্যে পর্যাপ্ত আসন লাভ করে। মি শরীফ বলেন যে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাল সম্পর্ক আছে তবে পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন অভিযানকে তিনি তার দেশের সার্বভোমত্বের প্রতি চ্যালেঞ্জ বলে বর্ণনা করেন।

১৯৯০ ‘এর দশকে দু বার প্রধানমন্ত্রী হওয়া এই রাজনীতিক যুক্তরাষ্ট্রের নীতির স্পষ্ট সমালোচক। তবে মি শরীফ বলেন যে তাঁর নতুন সরকার আগামি বছর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রতাহার সমর্থন করবে।

গতকালই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পাকিস্তানকে তার নির্বাচনের ব্যাপারে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং সে দেশের জনগণের ভবিষ্যৎকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ করার জন্যে সম অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং মি শরীফের বিজয়ে তার সহযোগিতার কথা ব্যক্ত করে তার টুইটার পাতায় লিখেছেন যে এই দুই প্রতিবেশির মধ্যে সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচিত হবে। তবে নতুন দিল্লির স্ট্র্যাটেজিক বিষয়ের একজন বিশ্লেষক উদয় ভাস্কর সতর্ক করে দিয়ে বলছেন যে ভারত যে তিনটি বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন তা হলো , কাশ্মির , ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নিয়োজিত লোকদের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন এবং পারমানবিক অস্ত্র ও ক্ষেপনাস্ত্রের ব্যবস্থাপনা। এই তিনটি বিষয়ে পাকিস্তানের অসামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ খুব কম। সে জন্যেই সামরিক বাহিনীর উপর তিনি তার কর্তৃত্ব প্রয়োগ এবং ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন না আনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ভারত পাকিস্তান সম্পর্কের ব্যাপারে।
XS
SM
MD
LG