অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অচলাবস্থায় পড়া ফুটবল ম্যাচ শেষ হয় সাধারণত পেনাল্টি কিকের মাধ্যমে। বিশ্বকাপের খেলায় অতি সম্প্রতি রোববার অনুষ্ঠিত কোষ্টারিকা ও গ্রীসের খেলায়ও তাই হয়েছে। একজন বৃটিশ বিজ্ঞানী বলেছেন ফুটবল দলগুলোর পেনাল্টি কিকের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্পর্কে ভীষনভাবে সচেতন হওয়া উচিৎ।

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে রবার্তো ব্যাজিওর করা পেনাল্টি কিক লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় সেবার ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলতে পারেনি ইটালী।

দলের মনোবিজ্ঞানী ও নীতি নির্ধারকরা বহুদিন ধরে গবেষণা করেছেন, কিক প্রদানকারী এবং গোল রক্ষকের আবেগ নিয়ে। আর এর মাধ্যমে চেষ্টা করেছেন তাদের শক্তিশালী এবং দুর্বল দিকগুলো খুঁজে বের করতে।

বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া বিজ্ঞানী কেন ব্রে বললেন, সফল হতে হলে কিকারকে অবশ্যই গোল রক্ষকের সাধ্যের বাইরের এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু হিসাবে ধরে নিতে হবে। গোলরক্ষকের ঝাপিয়ে পড়ার সম্ভাব্য সীমার বাইরের এলাকায় বল ঠেলে দিতে পারলে পেণাল্টি কিকের সাফল্য শতভাগ আসতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে গোলরক্ষকের ঝাপিয়ে পড়া এলাকার মধ্যে করা পেনাল্টি কিকের শতকরা ৫০ ভাগ ব্যার্থ হয়। তবে তথাকথিত আনসেভ্যাবল জোনে un-savable zone’ পেনাল্টি কিকের সফলতা ৮০ ভাগ।

কিভাবে গোল করতে হয় সে বিষয়ে’র লেখক ব্রে বলেন দুশ্চিন্তার কারনেও সমস্যা হয়। তিনি পরামর্শ দেন দলের সবচেয়ে ভালো শুটারকে প্রথম কিকটি দিতে দেয়া ঠিক নয়। প্রথমে অল্প অভিজ্ঞদেরকে পরে বেশী অভিজ্ঞদেরকে কিক করতে দিলে গড় ফলাফল ভালো হয়।

খেলোয়াড়রাও এতে সম্মত। তাদের মতে বলে কিক করার লক্ষ্যে দৌড় শুরুর পর মত পরিবর্তন করাও ঠিক নয়।

গোল রক্ষরকও কিকারকে ভড়কে দেয়ার চেষ্টা করেন।

কেন ব্রে বলেন, স্বেচ্ছাসেবীর মত করে পেনাল্টি কিকারদেরকে, কোচের ঠিক করে দেয়া উচিৎ নয়, বরং তা ঠিক করা উচিৎ গভীর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে, অনেক চিন্তা ভাবনা করে, যে কোন খেলোয়াড় এই শ্বসরুদ্ধকর কাজ বেশী ভালোভাবে করতে পারবে সেই বিবেচনায়।

XS
SM
MD
LG