অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

১৮৫২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়ে আসছেন দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল দা রিপাবলিকান পার্টি অথবা দা ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে।

ডেমোক্রেটরা সাধারণত উচ্চ কর সমর্থন করেন যাতে করে সরকারী কাজকর্ম সচল থাকে। আর রিপাবলিকানরা সাধারনত কম করের পক্ষে এবকং সরকারের আকার ছোট রাখার পক্ষে।

দুটি দলই মোটামুটি মধ্যপন্থী রাজনৈতিক মমাদর্শ পোষণ করে।

রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক ছাড়াও বেশকিছু ছোট ছোট রাজনৈতিক দল রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এগুলো হচ্ছে, দা লিবার্টারিয়ান, কনস্টিটিউশন, সোশালিষ্ট অথবা গ্রীনপার্টি।

কেউ ইচ্ছা করলে স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায় তৃতীয় দলের শক্তি কখনোই খুব একটা বেশী নেই। তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাদের ভালো প্রভাব পড়ে। কারন তৃতীয় দলের প্রার্থী প্রধান দুই দলের প্রার্থীদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট নিতে পারে। এর ফলে কোনো কোনো বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেখা যায় তৃতীয় দল বড় ঘটনা অর্থাৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাছাকাছি অবস্থায়।

এ বছর ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রধান দুই দলের প্রার্থীর নামই আলোচিত হচ্ছে। তবে রিপাবলিকান ডেমোক্রটিক দলের প্রার্থীরা ছাড়াও এবার প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন গ্রীন পার্টি ও লিবর্টারিয়ান পার্টির চার প্রার্থী।

এবারেরর নির্বাচনে যদিও বিভিন্ন রাজ্যের ব্যালটে অন্যাণ্র স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নাম থাকবে; তবে ডিসিসহ ৫০টি রাজ্যের ব্যালটে প্রসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে যে ৬

৮ জন পার্থীর নাম থাকবে তারা হচ্ছেন- ডেমোক্রেটিক দলের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট- হিলারী ক্লিনটন ও টিম কেইন; রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট- ডনাল্ড ট্রাম্প ও মাইক পেন্স; লাবির্টারিয়ান পার্টির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট- গ্যারি জনসন ও বিল ওয়েল্ড; এবং গ্রীন পার্টির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট- জিল ষ্টেইন ও আজুমা বারাকা।

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে কি কি যোগ্যতা লাগে তা নিয়ে থাকছে আগামীকালের অধিবেশনের আলোচনা।

XS
SM
MD
LG