অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শিগগিরই সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু


বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, খুব শিগগিরই বাংলাদেশের সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, এই প্রকল্পের কারণে সুন্দরবন কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

কিন্তু দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন সংগঠন সরকারের এই বক্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবন ধ্বংসের পাশাপাশি জীব ও জীবিকাসহ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পরিবেশ এবং প্রতিবেশ। আর দেখা দেবে ভয়াবহ সংকট।

সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবিতে তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ এবং বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি, জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে বৃহস্পতিবার খুলনায় জাতীয় মহাসমাবেশ করেছে। জাতীয় সমাবেশে কমিটির প্রধান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ অবিলম্বে রামপাল প্রকল্পসহ সুন্দরবনবিনাশী সকল তৎপরতা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

আনু মুহাম্মদ বলেছেন, "এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ জীবন-জীবিকা হারিয়ে উদ্বাস্তুুতে পরিণত হবেন। আর ৫ কোটি মানুষ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বেন।"

বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে ৯ সেপ্টেম্বর বিকল্প প্রস্তাব পেশের কথাও বলা হয়েছে।

সুন্দরবন বাঁচাও জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে পৃথকভাবে সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধে সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। এই কমিটির প্রধান এবং মানবাধিকার সক্রিয়বাদী সুলতানা কামাল তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

এদিকে, বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী নসরুল হামিদ সুন্দরবন সংলগ্ন রামপালে যারা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধীতা করছেন, তারা সঠিক তথ্যের উপরে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন না বলে দাবি করেছেন। ঢাকা থেকে আমীর খসরু।

XS
SM
MD
LG