অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আজকের বিশ্বে রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা : একটি বিশেষ আলোচনা চক্র


রবীন্দ্রনাথের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির ঠিক এক শ বছর পূর্ণ হলো এ বছর ১৩ই নভেম্বর । রবীন্দ্রনাথ, বাঙালি মাত্রেরই অন্তর জুড়ে থেকেছেন দীর্ঘ দিন, রইবেন অনাগত দিনগুলোতেও। শতবর্ষের ও বেশি সময় পরে, শুধু কৌতুহল নয়, অবিভাজিত নান্দনিক অনুভূতি নিয়ে তিনি আন্দোলিত করেন সকলের মন প্রাণ। আজকের এই ডিজিটাল যুগে , যখন বিশ্ব একেবারে আক্ষরিক অর্থেই হাতের মুঠোয়, যখনকার বিশ্ব রবীন্দ্রনাথের সময়কার বিশ্ব থেকে ভিন্ন , তখন ও রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা্ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেন না। কিন্তু বড় জানতে ইচ্ছে করে , রবীন্দ্রনাথের এই প্রাসঙ্গিকতা ঠিক কোথায়। আজকের এই আলোচনা চক্রে টেলিসম্মিলনি লাইনে যোগ দিয়েছেন আমাদের দু জন অতিথি , ঢাকা থেকে কবি , নিবন্ধকার , ভাষা সৈনিক ও রবীন্দ্র-গবেষক ড আহমেদ রফিক এবং কোলকাতা থেকে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র অধ্যাপক রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জ্যোতির্ময় ঘোষ ।

এই আলোচনায় দু জন আলোচকই রবীন্দ্রনাথের বহুমুখী প্রতিভা ও তাঁর বহুমাত্রিকতার কথা উল্লেখ করেন। তাঁরা বলেন যে রবীন্দ্রনাথ যে আজ পর্যন্ত পঠিত হচ্ছেন , অনুদূতি হচ্ছেন , বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে চর্চিত হচ্ছেন এর কারণ তাঁর বৈশ্বিকতা। সেটি স্থানিক ভাবে যেমন তেমনি কালিক ভাবেও প্রযোজ্য । তিনি যে কেবল সাহিত্য , সংস্কৃতি কিংবা চিত্রকলার জগতে সীমিত তা নয় , ক্ষদ্র ঋণ প্রদানের পথপ্রদর্শক ও রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রনাথ যখন বিশ্ব সাহিত্যের কথা বলেন , কিংবা যখন বিশ্বভারতী গড়ে তোলেন তখন তিনি , বিশ্বকে অনুভব করেন নিজের মধ্যে , গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যেও। তাই রবীন্দ্রনাথ বিশ্বের কবি এবং বিশ্ব শান্তিরই কবি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ শান্তির পক্ষে লড়াইয়ের কথাও বলেছেন , অতএব রবীন্দ্রনাথের শান্তি কোন ভীরু , নিষ্ক্রিয় শান্তি নয়। আজকের সংঘাত , সংকটের সময়ে রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা অনস্বীকার্য ।

এ নিয়েই শুনুন আনিস আহমেদের সঞ্চালনায় এই বিশেষ আলোচনাচক্র।

XS
SM
MD
LG