অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সীফুড ও মাছের নানা স্বাস্থ্যগত সুবিধা।


সেলিম হোসেন

সীফুডের রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সুবিধা। মাছে যে ভিটামিন এবং প্রাকৃতিক খনিজ থাকে তা হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ এবং মস্তিস্ক গঠনে সহায়ক। নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে সপ্তাহে অন্তত একদিন মাছ বা মর্কারী রয়েছে এমন সীফুড খেলে অলজাইমার রোগের ঝুকি কম হয়। জেসিকা বার্মানের এ বিষয়ক রিপোর্ট:

ওমেগা-থ্রি নামক ফ্যাটি এসিডের ভালো উৎস হচ্ছে মাছ যা স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্যে সহায়ক। বিভিন্ন গবেষণার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে মাছ খাওয়া মানিষক বৈকল্য প্রতিরোধে দারুনভাবে সহায়ক। তবে মাছে প্রচুর পরিমাণে মার্কারী থাকে যা খানিকটা ক্ষতিকর।

শিকাগোর রাশ ইউনিভার্সিটির মেডিকেল সেন্টারের গবেষণায় ২৮৬ জন মৃত মানুষের মস্তিস্কে মার্কারীর প্রভাব দেখা হয়েছে। দেখা গেছ যারা প্রচুর মাছ খেতো তাদের শরীরে মার্কারীর মাত্রা অনেক বেশী।

তবে ঐ গবেষণায় আরো দেখা গেছ সপ্তাহে অন্তত এদিন মাছ বা সীফুড খাওয়া এ্যালজাইমার রোগ প্রতিরোধের জন্যে সাহায্য করে।

National Institute of Environmental Health Sciences প্রধান Cindy Lawler বলেন সীফুড খাওয়ার ভালো দিকই বেশী।

“জীবনের শেষ দিকে গিয়েও মাছ খাওয়ার উপকার পাওয়া যায়। সেটি একটি আশার খবর”।

যারা নিয়মিত মাছ খান তাদের শরীর বা মস্তিস্কের এ্যালজাইমার বা মানষিক বৈকল্যের মতো রোগ হওয়ারা ঝুঁকি কম এমন তথ্য জানিয়েছেন রাশ গবেষকরা। গবেষণায় আসা স্বেচ্ছাসেবীদের পরীক্ষায় পাওয়া গেচে যাদের শরীরে Apoe4 (AY-poe-EE-4 নামের কোষ আছে তাদের অলজাইমার হওয়ার ঝুঁকি বেশী। এই কোষ সম্বলিত শরীরে কোলেস্টরেলও বেশী থাকে।

“অলজাইমার বাজে একটি রোগ। আর এই গবেষণা ফলাফল আমাদের মধ্যে আশার সঞ্চার করতে যাচ্ছে। মনে হয় জীবনাচরন পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে অলজাইমার্স থেকে বেচে থাকা সম্ভব”।

এই গবেষণায় নমুনা হিসাবে নেয়া স্বেচ্চাসেবীদের মৃত্যুর গড় বয়স ৯০ বছর। এর মানে হচ্ছে তাদের সবাই সীফুড ও মাছ খেতেন এবং ফলে তারা দীর্ঘ বয়স পান।

এই গবেষণাটি করা হয় The National Institute of Environmental Health Sciences এর অর্থায়নে এবং Journal of the American Medical Association এ ছাপা হয়।


XS
SM
MD
LG