অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কাসিগের শিরচ্ছেদের ঘটনায় ফ্রান্স ও বৃটেনের নাগরিকরা যুক্ত ছিল


কাসিগের বাবা-মা

কাসিগের বাবা-মা

ফ্রান্স বলছে, ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের ত্রাণকর্মী আব্দুল-রহমান কাসিগ এর শিরচ্ছেদের ঘটনায় তাদের এক নাগরিক জড়িত ছিল। ওদিকে, এক বৃটিশ নাগরিক বলছেন, তিনি বিশ্বাস করেন তাঁর ছেলেও এই ঘটনায় যুক্ত ছিল।

সোমবার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নার্ড কাজনোভ ঐ ফরাসী নাগরিককে, ২২ বছর বয়সী মাক্সিম হোশার হিসেবে শণাক্ত করেছেন। মৌরিতানিয়ায় কিছুদিন কাটানোর পর বছরখানেক আগে সে সিরিয়া চলে যায়। যে ১৬জন জিহাদী কাসিগের শিরচ্ছেদে জড়িত ছিল, তাদের মধ্যে দ্বিতীয় কোন ফরাসী নাগরিক ছিল কিনা তা কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে।

ওদিকে, ওয়েলসের আহমেদ মুথানা বলছেন, ১৬ মিনিটের ঐ ভিডিওতে আরেকজনকে দেখে তার মনে হয়েছে, সে তাঁর ২০ বছরের চিকিতসা বিজ্ঞানের ছাত্র নাসের মুথানা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেণ্ট বারাক ওবামা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাকে শয়তানের কাজ আখ্যা দিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাক হেগেল প্রতিবেদকদের বলেছেন, ২৬ বছরের আর্মি রেইঞ্জার কাসিগের ছিল অসাধারণ নৈতিক আদর্শ। তা সে অন্যকে সাহায্যের কাজে লাগিয়েছে। এবং তা করতে গিয়েই সে প্রাণ বিসর্জন দিল।

মিঃ হেইগেল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসলামিক স্টেটকে পরাজিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তিনি বলেন, “কেউ এই ধরনের অমানবিক বর্বরতার মধ্যে বাস করতে চায় না। মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য এটা নিশ্চিত করা, তা যেন না ঘটে। কাজটা কঠিন, কিন্তু আমরা পারব”।

XS
SM
MD
LG