অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

প্রধানত: ভারত,পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন টি কুমার ।

  • রোকঋয়া হায়দার

প্রধানত: ভারত,পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন টি কুমার ।

প্রধানত: ভারত,পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন টি কুমার ।

বর্তমানে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে মানবাধিকার পরিস্থিতি কি ভাবে মূল্যায়ণ করা যায় ; এ প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সংস্থার কর্মকর্তা টি কুমার বলেন, ২৩

মানবাধিকার পরিস্থিতি কোন জায়গায় উন্নতি হচ্চে আবার কোন জায়গায় একেবারেই তা ঘটছে না । এটা খুবই উদ্বেগের বিষয় যে কোন জায়গায় একেবারেই প্রতিকুল অবস্থা । আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে, এশিয়ায় এবং পূর্ব ইওরোপ পরিস্থিতির মোটেও উন্নতি হচ্ছে না ।

তিনি বলেন, এশিয়ায় চীনের পরিস্থিতি খারাপ । সেইসঙ্গে পাকিস্তান আফগানিস্তানের অবস্থাও ভাল নয় ঃ ১৬

তিনি বলেন, যদিও কোন কোন রিপোর্ট বলা হচ্ছে পাকিস্তান আফগানিস্তান পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, এ্যামনেস্টির দৃষ্টিতে সেখানকার পরিস্থিতির কোনই পরিবর্তন হয় নি ।

মানবাধিকার পরিস্থিতির কোন ক্ষেত্রে উন্নতি হয়নি – কোন ঘটনার উল্লেখ করতে পারেন কিনা সে বিষয়ে টি কুমার বললেন ২৩

পাকিস্তানের সমস্যা হচ্ছে, বালুচিস্তানে প্রায়ই লোকজন নিখোঁজ হয়ে যায় । এবং পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা এবং পাকিস্তানের কিছু সেনাদল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে । যার ফলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহারা হয়ে পড়েছে আনেকে নিহত হয়েছে ।

আফগানিস্তানে কি ধরণের মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে ? এ্যামনেস্টি কর্মকর্তা বলেন, সেখানে দুইভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে ঃ ১৮

এক হচ্ছে আফগানিস্তানের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে যেখানে যুদ্ধ চলছে, যেখানে প্রধানতঃ পাশতুনরা বাস করেন, সেখানে অনেক লোকজনকে বিনা বিচারে বিনা অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে । তাদের ওপর অত্যাচার করা হয় । রাত্রিকালীন অভিযান চালানো হচ্ছে যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা জড়িত । মাঝরাতে বাড়ী বাড়ী তল্লাশি অভিযান চালানো । এতে করে স্থানীয় মানুষ খুবই নারাজ বিশেষ করে যেখানে মহিলারা আছেন । এই অভিযানে কিছু আফগান সেনা থাকে তবে বেশীরভাগই আমেরিকান সৈন্যরা এ ধরণের অভিযান চালায় ।

বাংলাদেশে বিশেষ র‌্যাব বাহিনীর তত্পরতা সম্পর্কে কুমার বলেন, কোন দেশেই আইনসঙ্গত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে বিশেষ বাহিনী গ্রহণযোগ্য নয় । তিনি বলেন, র‌্যাব নিরাপত্তা রক্ষায় ভাল কাজ হয়তো করছে কিন্তু সেটাই নিয়মমাফিক মেনে নেওয়া যায় না ।

টি কুমার বাংলাদেশে যুদ্ধ অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৭১এর যুদ্ধ অপরাধীদের যে বিচার শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে এ্যামনেস্টির বক্তব্য তুলে ধরেন ঃ ১২

আমরা যুদ্ধের সময় গনহত্যার বিচারকে স্বাগত জানাই। তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে । অন্যান্য দেশেও সেটা করা হয় । যেখানে যুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে । এ্যামনেস্টি তাদের বিচারের জন্য যে সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা সমর্থন করে । তবে বাংলাদেশ সরকার এবং জনগনের একটা বিষয় সচেতন থাকা উচিত যে, যদিও তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অপরাধের কথিত অভিযোগ রয়েছে, কিন্ত তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া উচিত ।এবং সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত । এ্যামনেস্টি তাদের সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানায় । বেশীরভাগ তথ্য প্রমানে দেখা যায় তারা দোষী সবাই তাদের অপরাধের কথা জানে কিন্তু তারাই প্রমান করুক যে তারা দোষী নয়। তারা যে যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে, মহিলাদের ধর্ষণ করেছে, তাদেরকে তার দণ্ড দিতে হবে।

টি কুমার বলেন, মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এই বিচার প্রক্রিয়া গোটা বিশ্বের নেতা ও অন্যান্যদের এ কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে কেউ যুদ্ধ অপরাধ করে পালিয়ে যেতে পারে না । এমনকি ৩০ - ৪০ বছর পরেও তা রোধ করতে পারে না। বাংলাদেশ তার উজ্জ্বল এক দৃষ্টান্ত তুলে ধরছে।

বর্তমানে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে মানবাধিকার পরিস্থিতি কি ভাবে মূল্যায়ণ করা যায় ; এ প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সংস্থার কর্মকর্তা টি কুমার বলেন, ২৩

মানবাধিকার পরিস্থিতি কোন জায়গায় উন্নতি হচ্চে আবার কোন জায়গায় একেবারেই তা ঘটছে না । এটা খুবই উদ্বেগের বিষয় যে কোন জায়গায় একেবারেই প্রতিকুল অবস্থা । আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে, এশিয়ায় এবং পূর্ব ইওরোপ পরিস্থিতির মোটেও উন্নতি হচ্ছে না ।

তিনি বলেন, এশিয়ায় চীনের পরিস্থিতি খারাপ । সেইসঙ্গে পাকিস্তান আফগানিস্তানের অবস্থাও ভাল নয় ঃ ১৬

তিনি বলেন, যদিও কোন কোন রিপোর্ট বলা হচ্ছে পাকিস্তান আফগানিস্তান পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, এ্যামনেস্টির দৃষ্টিতে সেখানকার পরিস্থিতির কোনই পরিবর্তন হয় নি ।

মানবাধিকার পরিস্থিতির কোন ক্ষেত্রে উন্নতি হয়নি – কোন ঘটনার উল্লেখ করতে পারেন কিনা সে বিষয়ে টি কুমার বললেন ২৩

পাকিস্তানের সমস্যা হচ্ছে, বালুচিস্তানে প্রায়ই লোকজন নিখোঁজ হয়ে যায় । এবং পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা এবং পাকিস্তানের কিছু সেনাদল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে । যার ফলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহারা হয়ে পড়েছে আনেকে নিহত হয়েছে ।

আফগানিস্তানে কি ধরণের মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে ? এ্যামনেস্টি কর্মকর্তা বলেন, সেখানে দুইভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে ঃ ১৮

এক হচ্ছে আফগানিস্তানের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে যেখানে যুদ্ধ চলছে, যেখানে প্রধানতঃ পাশতুনরা বাস করেন, সেখানে অনেক লোকজনকে বিনা বিচারে বিনা অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে । তাদের ওপর অত্যাচার করা হয় । রাত্রিকালীন অভিযান চালানো হচ্ছে যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা জড়িত । মাঝরাতে বাড়ী বাড়ী তল্লাশি অভিযান চালানো । এতে করে স্থানীয় মানুষ খুবই নারাজ বিশেষ করে যেখানে মহিলারা আছেন । এই অভিযানে কিছু আফগান সেনা থাকে তবে বেশীরভাগই আমেরিকান সৈন্যরা এ ধরণের অভিযান চালায় ।

বাংলাদেশে বিশেষ র‌্যাব বাহিনীর তত্পরতা সম্পর্কে কুমার বলেন, কোন দেশেই আইনসঙ্গত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে বিশেষ বাহিনী গ্রহণযোগ্য নয় । তিনি বলেন, র‌্যাব নিরাপত্তা রক্ষায় ভাল কাজ হয়তো করছে কিন্তু সেটাই নিয়মমাফিক মেনে নেওয়া যায় না ।

টি কুমার বাংলাদেশে যুদ্ধ অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৭১এর যুদ্ধ অপরাধীদের যে বিচার শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে এ্যামনেস্টির বক্তব্য তুলে ধরেন ঃ ১২

আমরা যুদ্ধের সময় গনহত্যার বিচারকে স্বাগত জানাই। তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে । অন্যান্য দেশেও সেটা করা হয় । যেখানে যুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে । এ্যামনেস্টি তাদের বিচারের জন্য যে সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা সমর্থন করে । তবে বাংলাদেশ সরকার এবং জনগনের একটা বিষয় সচেতন থাকা উচিত যে, যদিও তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অপরাধের কথিত অভিযোগ রয়েছে, কিন্ত তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার দেওয়া উচিত ।এবং সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত । এ্যামনেস্টি তাদের সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানায় । বেশীরভাগ তথ্য প্রমানে দেখা যায় তারা দোষী সবাই তাদের অপরাধের কথা জানে কিন্তু তারাই প্রমান করুক যে তারা দোষী নয়। তারা যে যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে, মহিলাদের ধর্ষণ করেছে, তাদেরকে তার দণ্ড দিতে হবে।

টি কুমার বলেন, মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে এই বিচার প্রক্রিয়া গোটা বিশ্বের নেতা ও অন্যান্যদের এ কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে কেউ যুদ্ধ অপরাধ করে পালিয়ে যেতে পারে না । এমনকি ৩০ - ৪০ বছর পরেও তা রোধ করতে পারে না। বাংলাদেশ তার উজ্জ্বল এক দৃষ্টান্ত তুলে ধরছে।

XS
SM
MD
LG