অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চারদেশীয় চুক্তি বাস্তবায়নে মূল চ্যালেঞ্জ অবকাঠামোগত দুর্বলতা


অতি সম্প্রতি সই হওয়া বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভূটানের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল চুক্তি বাস্তবায়নে মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও জমি অধিগ্রহণ। এ ছাড়া ফি নির্ধারণ করাও কম চ্যালেঞ্জ নয়। সিভিল সোসাইটির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হিসেবে পরিচিত সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ আয়োজিত এক সংলাপে বিশেষজ্ঞরা এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

তারা বলেছেন, বাণিজ্য, পরিবহন, বিনিয়োগ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক ও যোগাযোগ উন্নয়নের ক্ষেত্রে জরুরি। আলোচনায় অংশ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, অবকাঠামোগত সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। মন্ত্রী বলেন, চার দেশ নয়। ডোর ইজ ওপেন। ইচ্ছে করলে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা যোগ দিতে পারে। ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকায় ২০২০ সালের মধ্যে মেট্রোরেল চালু হবে। এছাড়া এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে চালুর লক্ষ্যে একটি চীনা কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, কানেকটিভিটির সব ধরনের ফি সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারণ করতে হবে। এতে সব দেশ লাভবান হবে। নেপালের রাষ্ট্রদূত এইচ. কে শ্রেষ্টা বলেন, চারদেশীয় এই চুক্তিতে নেপালের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। মূল প্রবন্ধে মোস্তাফিজুর রহমান চারদেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে পৃথক মনিটরিং কমিটি ও যৌথ মনিটরিং কমিটি গঠনের ওপর জোর দেন। ঢাকা থেকে সংবাদদাতা মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট:


XS
SM
MD
LG