অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মহানবীর ওপর অবমানাকর চলচ্চিত্র নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিবাদ


ইন্টারনেটে প্রকাশিত একটি ইসলাম বিরোধী ভিডিওকে কেন্দ্র করে মুসলিম বিশ্বে গত কয়েকদিন সহিংস ও রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের পর এখন শান্ত অবস্থা বিরাজ করছে। মিশরের অগ্নি নির্বাপক বাহিনী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে ছোটখটো আগুন নির্বাপিত করে। সে সময়ে সারা স্থান ধোয়ায় ছেয়ে যায়। এর আগের রাতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি মারা যায়।
রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের আরেক স্থান সুদানের রাজধানী খার্তুমে শনিবার পুলিশ আমেরিকান, বৃটিশ, এবং জার্মান দুতাবাসের কাছের রাস্তায় টহল দেয়। সে সব ভবনে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন এখনো স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়।
গণবিক্ষোভের কেন্দ্র টিউনিসিয়া এবং ইয়েমেনেও শনিবার অপেক্ষাকৃত শান্ত অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। তবে, শনিবার নতুন ক’রে আফগানিস্তান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে বিক্ষোভ শুরু হয়।
শনিবার ইয়েমেনে আল-কায়েদার শাখা যুক্তরাষ্ট্রের দুতাবাসগুলিতে আরো আক্রমনের আহবান জানিয়েছে, তারা মঙ্গলবারের বেনগাযীতে আমেরিকান কন্সুলেটে রক্তক্ষয়ী আক্রমনকে ভালো উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে। সে সময়ে বিক্ষোভকারীরা কন্সুলেটের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙ্গে ফেলতে সমর্থ হয়। লিবিয়াইয় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফার স্টিভেন্স এবং তাঁর তিনজন সহকর্মী ওই ঘটনায় মারা যান। কোন কোন আমেরিকান এবং লিবিয় কর্মকর্তার মতে ঐ আক্রমন পূর্বপরিকল্পিত ছিলো।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা শুক্রবার ফরেন পলিসি ম্যাগাযিনে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মন্তব্য করেন, ওয়াশিংটন এই অব্যাহত অস্থিরতার ভেতরে তাদের কর্মীদের সুরক্ষায় প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
ওদিকে মিশর সরকার কায়রোর যুক্তরাষ্ট্র দুতাবাসের কাছাকাছি এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। শুক্রবার কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে পুলিশী হেফাযতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সপ্তাহে কম পক্ষে পাঁচ জন বিক্ষোভকারী প্রান হারিয়েছে। এর মধ্যে দু’জন তিউনিসিয়ায়, লেবানন আর মিশরে একজন ক’রে আর একজন সুদানে।
XS
SM
MD
LG