অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইউরোপের ডানপন্থী নেতাদের কাছে ট্রাম্পই বেশি পছন্দ


ইউরোপের ডানপন্থী রাজনীতিকদের কাছে ডনাল্ড ট্রাম্প ক্রমশ ট্রাম্প কার্ড হয়ে উঠছেন। অভিবাসন ও মুসলিম বিরোধী অবস্থান ছাড়াও ব্রেক্সিট ট্রাম্পকে ডানপন্থী নেতাদের কাছাকাছি এনেছে। ট্রাম্প তাদের রাজনীতিকে উজ্জীবিত করছেন।

বৃটেনের ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির নেতা নাইজেল ফারাজ মিসিসিপিতে ট্রাম্পের সঙ্গে এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছেন, তাকে অর্থ দিলেও তিনি হিলারিকে ভোট দিবেন না। মুসলিমবিরোধী পেগিডার বৃটেন শাখার নেতা রবিনসন ট্রাম্পের মুসলিম নিষিদ্ধের পরিকল্পনাকে বিতর্কের জন্য উত্তম বিষয় বলে মনে করেন।

ওদিকে, হিলারীর অপর নাম যুদ্ধ এবং ধ্বংস- অতি সম্প্রতি সিএনএন'কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের ন্যাশনাল ফ্রন্টের নেত্রী মারিন লি পেন। ফ্রান্সের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী ‘মাদাম ফ্রেক্সিট’ হিসেবে খ্যাত মিস পেনও ফারাজের সুরে বলেছেন, তিনি মার্কিন হলে ট্রাম্পকেই ভোট দিতেন।

ইতালির চরম ডানপন্থী নর্দান লীগ নেতা মাত্তিও স্যালভিনির কাছে ট্রাম্প একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় নেতা।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডের ট্রাম্প হিসেবে খ্যাত দেশটির ফ্রিডম পার্টির নেতা গ্রিক উইল্ডার্স এর মন্তব্য হলো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া ইউরোপ ও আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক।

বেলজিয়ামের ফ্লেমিস ইন্টারেস্ট পার্টির নেতা ফিলিপ ডি উইন্টার ট্রাম্পের সঙ্গে নিজ দলের আদর্শিক মিল খুঁজে পেয়েছেন।

গ্রীসে গত সংসদ নির্বাচনে গোল্ডেন ডন পার্টির তৃতীয় স্থানে উঠে আসার নেপথ্যে অভিবাসন নীতিকেই চিহ্নিত করেছে প্রভাবশালী অনলাইন সাময়িকী অল্টারনেট ডট অর্গ। যা ট্রাম্পের নীতিরই অনুসরণ।

সুইডিশ ডেমোক্রেট দলের নেতা জিমি একিসন এক টিভি সাক্ষাৎকারে অকপটে বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে একমত যে, অবশ্যই অভিবাসন হ্রাস করতে হবে। দেশে কে ঢুকছে কে বের হচ্ছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর রাখতে হবে।

ওয়াশিংটন পোস্ট এক নিবন্ধে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানকে ইতোমধ্যে ইউরোপের ডনাল্ড ট্রাম্প হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

জার্মানির ডানপন্থী দল-অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি’র চেয়ারম্যান ফ্রাউক পেত্রি মন্তব্য করেছেন, তার নিজের দলের সঙ্গে ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতির মিল রয়েছে। লন্ডন থেকে মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট।

XS
SM
MD
LG