বুধবার, মে 22, 2013 স্থানীয় সময় 00.08

খবর

অলিম্পিক: পবিত্র রমজান মাসে সূচনা

প্রতিবেদনের আকার - +
রোকেয়া হায়দার

লণ্ডন অলিম্পিক শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাসে। মুসলিম প্রতিযোগীদের জন্য এক বিশেষ চ্যালেঞ্জ বলতে হবে। সারাদিন খাওয়া নেই, কিন্তু তারই মাঝে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে। অলিম্পিক সংগঠকরা এ বিষযে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন?

আজ রমজান ও অলিম্পিক নিয়ে আলোচনা করছেন রোকেয়া হায়দার।

লণ্ডনে গ্রীষ্মকালে সূর্য্য অস্ত যায় অনেক দেরীতে। দিনের বেলার দীর্ঘ সময় যেন কাটে না।  তাই অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারীদের সুবিধার জন্য লণ্ডন অলিম্পিক সংগঠক কমিটির সদস্যরাও যত্নবান। লণ্ডনের সবচাইতে বড় মসজিদের পরিচালক  ও অলিম্পিক সংগঠক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আবদুল বারী বলেন, খেলোয়াড়দের জন্য খাওয়া নয়, ঘুমের অভাবটাই সবচাইতে বড় সমস্যা। তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে যারা রোজা রাখবেন তাদেরকে খুব ভোরে উঠে সেআরী করতে হয়। তার মানে ঘুমের অভাব। আর এই পরিস্থিতি তাদের ওপর কি প্রভাব ফেলবে সেটা ব্যক্তি বিশেষের ক্ষেত্রে ভিন্ন হবে।  তাদের মনোবল, শারীরিক শক্তি সবকিছুর ওপর নির্ভর করবে’।

অনেক মুসলিম খেলোয়াড় লন্ডনে গ্রীষ্মকালে যে প্রায় ১৭ ঘন্টা দিন থাকে সেই পরিবেশে অভ্যস্ত নয়।  মোহাম্মদ বারী বলেন, রমজান মাসে খেলোয়াড়দের জন্য তো কোন বিশেষ সময়ের বিধান নেই, তবে মুসলিম খেলোয়াড়রা প্রতিবছরই রমজান মাসে যে কোন প্রতিযোগিতায় এই ধরণের পরস্থিতির সম্মুখীন হয়।  তারা হয়তো প্রতিযোগিতার সময় রোযা রাখার বিধান সম্পর্কে, কি করা উচিত সে বিষয়ে ধর্মীয় পণ্ডিতদের, মওলানা মৌলবীদের কাছ থেকে জানবার চেষ্টা করবে।

অলিম্পিকের হাজার হাজার দর্শক, কর্মকর্তা, তারাও তো রোযা রাখবেন। লণ্ডন অলিম্পিক কমিটি হালাল খাবারের ব্যবস্থা করেছে। অলিম্পিকের প্রধান ধর্মীয় নেতা বৃটের এ্যাঙ্গলিকান গীর্জার যাজক ক্যানন ডানকান গ্রীন বলেন, কর্মকর্তারা মুসলিম কর্মীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন।  তিনি জানালেন, ‘আমরা ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, তাদের বলা হয়েছে যারা রোযা রাখবে তাদের কাজের সুবিধার দিকে নজর রাখতে হবে। ধরুন রোযা রেখে কোন কর্মীকে যাতে সারাটা দিন পার্কিংএর জায়গায় বা খোলা কোন জায়গায় কাজ করতে না হয়, তার দিকে নজর রাখতে হবে।  এমন কাজ তাদের করতে না হয়, যাতে তাদের পানি বা ফলমুল খাওয়ার প্রয়োজন হয়।

ক্যানন গ্রীন বলেন, মুসলমান খেলোয়াড়, দর্শক, কর্মচারী, প্রশিক্ষক, ডাক্তার, বাবুর্চি, সবাইকেই অলিম্পিকের সময় একই পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হবে।  তাদের সাহায্যের জন্য থাকবেন মুসলিম ধর্মীয় নেতারা ও স্বেচ্ছাসেবী দল।  লণ্ডন গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাসের কথা ভাবনা চিন্তা করে অনেক ব্যবস্থা নেওযা হয়েছে। আশা করা যায় তা ভালভাবেই সম্পন্ন হবে।

এই ফোরাম বন্ধ হয়ে গেছে
মন্তব্য
     
এই ফোরামে কোন মন্তব্য নেই । আপনিই প্রথম কিছু মন্তব্য করুন

Hello America

Loading
১২.০০.০০ / -.--.--
চিত্র গ্যালারী

VOA 60 Bangla

Loading
১২.০০.০০ / -.--.--