শনিবার, ফেব্রুয়ারী 28, 2015 স্থানীয় সময় 18.24
VOA 60 World Banglaভিডিও/দেখুন VOA 60 World Bangla
Photo Galleryচিত্রগ্যালারী Photo Gallery

সাক্ষাতকার

বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা পাবার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী : রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদশের রাষ্ট্রদূত আকারামুল কাদের
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদশের রাষ্ট্রদূত আকারামুল কাদের
আনিস অহমেদ
যুক্তরাষ্ট্রের American Federation of Labour and Congress of Industrial Organizations (AFL-CIO), যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যিক প্রতিনিধিদল , বা USTR কে বলে আসছে যে কোন কোন পন্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে যে জি এস পি সুবিধে পেয়ে থাকে সেটি প্রত্যাহার করতে। এ নিয়ে কয়েকবার শুনানী হয়েছে , এবং সিদ্ধান্তটি স্থগিত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে বাংলাদেশকে দেওয়া এই বিশেষ বানিজ্যিক সুবিধে বাতিল করা না হয়। এ প্রসঙ্গেই , যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের কথা বলছিলেন ভয়েস অফ আমেরিকার সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে।
 
জি এস পি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত কাদের বলেন যে এটি হচ্ছে Generalized System of Preferences . এটি এমন এক ধরণের প্রশাসনিক ব্যবস্থা যার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার বানিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দিয়ে থাকেন। মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সামনে রেখেই  এই ব্যবস্থা প্রবর্তিত। তিনি বলেন যে বাংলাদেশ ও কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে জি এসপি সুবিধা পেয়ে এসছে। এই পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে তামাকজাতীয় পণ্য ,  প্লাস্টিক ব্যাগ , সোনার জিনিষপত্র , বোন চায়না , পোর্সিলিন এবং আরও কিছু পণ্য।  
 
বাংলাদেশকে দেওয়া জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ব্যাপারে American Federation of Labour and Congress of Industrial Organizations (AFL-CIO), যে সিদ্ধান্ত চাইছে তার কারণ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের  এর একটা পটভূমি তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে AFL-CIO  ২০০৭ সালে USTR এর কাছে একটি দরখাস্ত দিয়েছিল তাতে তারা বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধার পুনর্মূল্যায়ন চেয়েছিল। তাদের মতে বাংলাদেশ শ্রমিকদের তাদের সুযোগ সুবিধে দিচ্ছিল না। তারা শ্রমিকদের অধিকার , তাদের বেতন সহ কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নয়নের ও শর্ত দিয়েছিল। ২০১২ সালে ও তারা একই ধরণের আবেদন জানায় USTR এর কাছে।
 
রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের অবশ্য বলেন যে এই সব ব্যাপারে বাংলাদেশ যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছে ।তিনি বলেন যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন বা আই এল ও ‘র কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে ।আই এল ও ‘র শর্তগুলোর বেশির ভাগই বাংলাদেশ অনুসরণ করে থাকে। তিনি আরও বলেন যে গার্মেন্টস সেক্টরে বাংলাদেশ একটি সাধারণ অবস্থান থেকে , এগিয়ে গেছে বহুদূর।কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ বও উন্নত হয়েছে। তিনি বলেন যে এর আগের শুনানীগুলোতে বাংলাদেশ তার অবস্থান পরিস্কার করেছে। তিনি বলেন যে ১২ জন কংগ্রেসম্যান এ ব্যাপারে জরুরী একটা পর্যালোচনার কথা জানানোর পর বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে। তিনি বলেন যে  ব্যাপারে ৩০শে জানুয়ারীরর মধ্যে তাদের জবাব দেওয়ার পর একটি শুনানী অনুষ্ঠিত হবে এবং মার্চ মাসের শেষ নাগাদ একটা সিদ্ধান্তে এরা পৌছুবে।

তবে রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের আশাবাদী যে এর একটা ইতিবাচক ফলাফর পাওয়া যাবে।তিনি আবার ও জোর দিয়ে বলেন যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা , বিশেষত গার্মেন্টস শ্রমিকদের অধিকার সম্বন্ধে , সুযোগ সম্পর্কে উদ্যোগ নিয়েছেন এবং ২০১০ সালে তিনি শ্রমিকদের বেতন নব্বই শতাংশ বাড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।


সাক্ষাতকারটি শুনুন
সাক্ষাতকারটি শুনুন i
|| 0:00:00
...    
🔇
X

Hello America

Your JavaScript is turned off or you have an old version of Adobe's Flash Player. Get the latest Flash player.
মহান একুশে উপলক্ষ্যে আমাদের বিশেষ পর্বi
|| 0:00:00
...  
🔇
X
24.02.2015 16.38

VOA 60 Bangla

Your JavaScript is turned off or you have an old version of Adobe's Flash Player. Get the latest Flash player.
VOA 60 America 2/26i
|| 0:00:00
...  
🔇
X
27.02.2015 23.03