অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বড় দিনের অবিভাজিত অনুভূতি নিয়ে ডরোথি বোসের কিছু কথা

ডরোথি ও ডেভিড
ডরোথি ও ডেভিড
ডরোথি বোস সপরিবারে বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে বেশ বহু দিন ধরেই। এই প্রবাস জীবনে বাঙালি খ্রীষ্টানের বড়দিন উদযাপন্দের বৈচিত্র ও আনন্দের কথা তিনি যেমন বলছেন , তেমনি বলছেন বাংলাদেশে ফেলে আসা সেই দিনগুলোর কথাও , যখন এই বড়ো দিনের আনন্দে ছিল ভিন্ন রকমের আমেজ।

বড় দিনকে কেন্দ্র করে এবং ঠিক এই বড় দিনের দিন এখানে তাঁরা কি করেছেন তার ও একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণী তুলে ধরেছেন ডরোথি বোস । প্রার্থনা ও আনন্দ , ভোজন ও শুভেচ্ছা বিনিময় এই দিকগুলোকে তুলে ধরেছেন ডরোথি বোস এই সাক্ষাৎকারে। বড় দিন উদযাপনের যে সব সাংস্কৃতিক দিক রয়েছে , খাওয়া-দাওয়া , নতুন জামা কাপড় পরা , আলোকসজ্জা কিংবা , বিশেষ করে ছোটদের কাছে স্যান্টা ক্লসের আকর্ষণ , এ সব দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বড় দিন উদযাপন ডরোথির কাছে ভালই লাগে। তিনি বলেন যে তাদের সন্তানদেরতো জন্ম এ যুক্তরাষ্ট্রেই এবং তারা বেড়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রেই। ডিসেম্বর মাসের সেই প্রথম দিক থেকেই শুরু হয়ে যায় ক্রিসমাস ট্রি সাজাবার তোড় জোর । সেখানে বাড়ির ছেলে –বুড়ো সকলেই যোগ দেন ঐ আনন্দ অনুষ্ঠানে। নতুন পোশাক , খেলনা এগুলোও এদেশে বড় দিন উদযাপনের একটা বড় দিক। বাড়ির বাইরে নানান রকমের আলোক সজ্জা , রেইন ডিয়ার বসানো , স্নো ম্যান বসানো এগুরেঅ ও ভাল লাগে এবং এই ব্যাপারগুলো দেশে করা হয় না।

তবে সেই সঙ্গে ডরোথি বলেন যে বাংলাদেশে বড় দিন উদযাপনের কিছু কিছু দিক এখানে যেন তিনি খুঁজে পান না। দেশে তো আর ক্রিসমাস ট্রি সাজানো কিংবা স্যান্টা ক্লসের উপস্থিতির বিষয়টি প্রধান ছিল না। তার পরিস্কার মনে আছে যে তাঁর বাবা যেহেতু চার্চ মিউজিকের সঙ্গে জড়িত , ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তা থেকেই বড় দিনের নিশার গানের রিহার্সেল শুরু হয়ে যেতো। তখন তারা প্রত্যেক দিন সন্ধ্যার পর এই গানের মহড়া দিতেন। সেই জিনিষটি তিনি এখানে ভীষণ ভাবে মিস করেন , মিস করেন । তা ছাড়া ২৪রশ ডিসেম্বর রাতে পাড়ার সকলে মিলে , রীতিমতো দলবদ্ধভাবে গির্জায় যাওয়ার ব্যাপারটি ও তাঁরা এখানে মিস করছেন। সাক্ষাৎকার শেষে ডরোথি বোস গাইলেন , “ আনন্দ লোকে , মঙ্গলালোকে , বিরাজ সত্য সুন্দর ...”।

please wait

No media source currently available

0:00 0:06:07 0:00
সরাসরি লিংক
This item is part of
XS
SM
MD
LG