আজ রোববার ভারতের রাজধানীতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দ্বিতীয় দিনের মতো কাদানে গ্যাস এবং জল কামান ব্যবহার করেছে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন যে তেইশ বছর বয়সী একজন ছাত্রীকে প্রহার এবং গণধর্ষণের অভিযোগে আটক ছ জন বন্দীর বিরু্দ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একজন বিক্ষোভকারী বলছেন :
যে এই অপরাধের নৃশংসতার কারনে তারা এর দ্রুত বিচার চান। তিনি মনে করেন যে প্রত্যেকটি ধর্ষণের মামলার বিচার সরকারকে দ্রুত সম্পাদন করতে হবে।
ক্ষমতাসীন কংগ্রেস পার্টির প্রধান সোনিয়া গাঁধি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মধ্যরাতের আলোচনার পর আবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। রোববার বিকেলে তিনি তার ছেলে রাহুল গাঁধকেঁ সাথে নিয়ে বেরিয়ে আসেন। পুলিশ বলছে যে তারা নতুন দিল্লির সেই এলাকায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে যেখানে ধর্ষরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। পুলিশ আরও বলেছে যে রাষ্ট্রপতিভবন এবং সংসদের কাছাকাছি এলাকাগুলিতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ কিছু মেট্রো স্টেশান বন্ধ রাখা হয়েছে।
এই ছাত্রীটি গত রোব্বার ধর্ষণের শিকার হন , যখন তিনি এবং তাঁর এক পুরুষ বন্ধু নতুন দিল্লিতে বাসে ভ্রমণ করছিলেন । তিনি আহত অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন এবং হাসপাতাল থেকেই পুলিশের কাছে ঘটনার বিবরণ দেন।