অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত


স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে লোকজনদের সতর্ক করছেন একজন সেনা সদস্য

শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। লকডাউনের কারণে শ্রমজীবী মানুষেরা নিদারুণ কষ্টের মধ্যে আছেন। পয়লা জুলাই থেকে কড়া লকডাউন জারি রয়েছে। যদিও কয়েকদিন ধরে লকডাউন অনেকটাই শিথিল।

চলমান লকডাউন সাত দিনের জন্য শিথিল করা হয়েছে। এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, ১৫ই জুলাই থেকে ২২শে জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল থাকবে। এসময় চলবে গণপরিবহন। চালু হবে দোকানপাট। ২৩শে জুলাই থেকে পুনরায় লকডাউন কার্যকর হবে। ঈদকে সামনে রেখেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই যখন অবস্থা, তখন স্বাস্থ্য দপ্তর সর্বোচ্চ সংখ্যক শনাক্তের খবর দিয়েছে। একদিনে ১৩ হাজার ৭৬৮ জনের শরীরে করোনা প্রবেশ করেছে। এটা এ যাবৎ কালের সর্বোচ্চ। একই সময়ে মারা গেছেন ২২০ জন।

বলা হচ্ছে, শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। লকডাউনের কারণে শ্রমজীবী মানুষেরা নিদারুণ কষ্টের মধ্যে আছেন। পয়লা জুলাই থেকে কড়া লকডাউন জারি রয়েছে। যদিও কয়েকদিন ধরে লকডাউন অনেকটাই শিথিল। রাজধানীতে যানজট আবার ফিরে এসেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির গরুর হাট চালু করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ওদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার তাগিদ দিয়েছে ইউনিসেফ ও ইউনেস্কো। প্রতিষ্ঠান দুটোর তরফে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনই খুলে দেয়া উচিত। এই মুহূর্তে বিশ্বের মাত্র ১৯টি দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ১৫ কোটি ৬০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করার ক্ষেত্রে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর টিকার জন্য অপেক্ষা করা যায় না। যৌথ বিবৃতিতে হেনরিয়েটা ফোর ও অড্রে অ্যাজুল বলেছেন, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে শিশু ও তরুণ জনগোষ্ঠী বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। যা কখনও পুশিয়ে নেয়া যাবে না। শেখার ক্ষতি, মানসিক সংকট, সহিংসতা ও নির্যাতনের সম্মুখীন হওয়া থেকে শুরু করে নানা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

XS
SM
MD
LG