অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চট্টগ্রামে চারটিতেই সীমাবদ্ধ ‘ওয়াটার এটিএম বুথ’


ওয়াটার এটিএম বুথ থেকে পানি নিচ্ছে এক কিশোর।

নানা জটিলতায় থমকে আছে চট্টগ্রাম ওয়াসার ‘ওয়াটার এটিএম বুথে’ পানি বিক্রি প্রকল্পের অগ্রগতি। প্রকল্প চালুর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও সুফল পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। বুথের পানি বাণিজ্যিকভাবে বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

নগরের খুলশী, পিসি রোডের নয়াবাজার মোড়, ফিরোজ শাহ কলোনি ও আগ্রাবাদে চালু রয়েছে ৪টি এটিএম বুথ। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ড্রিংকিং ওয়েল ওয়াটার’ সূত্র জানায়, এ চারটি বুথ থেকে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার রিচার্জেবল কার্ডধারী গ্রাহক পানি সংগ্রহ করেন।

‘ড্রিংকিং ওয়েল ওয়াটার’ এর জোনাল ম্যানেজার মঞ্জুরুল আলম বলেন, "৪টি বুথ সচল রয়েছে। আরও ২টির বুথের কাজ চলছে। পানির সংযোগ পাওয়া গেলে সেগুলোও চালু করা হবে। ওয়াসা থেকে সরবরাহ করা পানি যতোটা পরিষ্কার এবং বিশুদ্ধ, তার চেয়েও তিনগুণ বিশুদ্ধ পানি বুথ থেকে পাওয়া যাচ্ছে।"

বুথে থাকা কোম্পানির প্রতিনিধির কাছ থেকে এটিএম কার্ড সংগ্রহ করা যায়। ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মতো এই কার্ডেও আছে পাসওয়ার্ড। ২০০ টাকা জমা দিয়ে গ্রাহকরা এই কার্ড সংগ্রহ করেন। প্রতি লিটার পানি বিক্রি হয় ৬০ পয়সায়।

বাণিজ্যিকভাবে জারে পানি বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে মঞ্জুরুল আলম বলেন, "আমরা কাউকে এভাবে পানি নিতে দিই না। ব্যক্তিগতভাবে কেউ একটা দুইটা জার নিয়ে আসলে সেক্ষেত্রে নিতে পারে। তবে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উদ্দেশ্য কাউকে পানি দেওয়া হয় না।"

২০২০ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের অধীনে চট্টগ্রাম শহরে ১০০টি বুথ বসানোর পরিকল্পনা ছিল চট্টগ্রাম ওয়াসার। কিন্তু প্রকল্প শুরু দুই বছরেও মাত্র চারটি বুথে সীমাবদ্ধ রয়েছে প্রকলএর অগ্রগতি।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফয়জুল্লাহ বাংলানিউজকে বলেন, "চট্টগ্রামে ১০০টি পানির এটিএম বুথ বসানোর পরিকল্পনা ছিল। জায়গা জটিলতায় মাত্র চারটি বুথ বসানো হয়েছে। চাইলেই সব জায়গায় এসব বুথ বসানো যায় না। যেসব এলাকায় ওয়াসার জায়গা রয়েছে সেখানেই বসানো হবে বুথ।"

XS
SM
MD
LG