অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঢাকা-ওয়াশিংটন নিরাপত্তা সংলাপ


ঢাকা-ওয়াশিংটন নিরাপত্তা সংলাপ ঘিরে ছিল মানব নিরাপত্তা, মিলিটারি প্রশিক্ষণ, রোহিঙ্গা সংকট ও ঢাকা-নিউ ইয়র্ক বিমান ফ্লাইট ইস্যু। বৃহস্পতিবার ঢাকায় দু’দেশের কর্মকর্তারা সপ্তমবারের মতো নিরাপত্তা সংলাপে এসব ইস্যু নিয়ে খোলামেলা কথা-বার্তা বলেছেন।

ঢাকা-ওয়াশিংটন নিরাপত্তা সংলাপ ঘিরে ছিল মানব নিরাপত্তা, মিলিটারি প্রশিক্ষণ, রোহিঙ্গা সংকট ও ঢাকা-নিউ ইয়র্ক বিমান ফ্লাইট ইস্যু। বৃহস্পতিবার ঢাকায় দু’দেশের কর্মকর্তারা সপ্তমবারের মতো নিরাপত্তা সংলাপে এসব ইস্যু নিয়ে খোলামেলা কথা-বার্তা বলেছেন। বৈঠকে ৬ সদস্য বিশিষ্ট মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন স্টেট ডিপার্টমেন্টের পলিটিক্যাল এন্ড মিলিটারি ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত উপ-সহাকারী মন্ত্রী মাইকেল এফ মিলার।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমেরিকান অণু বিভাগের মহাপরিচালক ফেরদৌসী শাহরিয়ার। বৈঠকে নিরাপত্তা ইস্যুতে সহযোগিতাকে একটি প্রধান উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মার্কিন প্রতিনিধি দল বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, তথ্য বিনিময়, অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও যৌথ অনুশীলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানায়। ঢাকা ও নিউ ইয়র্কের মধ্যে বিমান ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে বৈঠকে আলোচনা হয়। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই ও বেসামরিক নিরাপত্তা ইস্যুতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের তরফে বলা হয়, সকল প্রকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। উভয় দেশের ক্ষেত্রে পরিচিত ও নতুন নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা সংকট একটি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের একটি স্থায়ী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর পুনঃঅঙ্গীকার ব্যক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রকে সামুদ্রিক অঞ্চলগুলোতে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারী রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ মনে করে, সন্ত্রাসী ও অপরাধ দমনের লড়াইয়ে তথ্য আদান-প্রদান একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ওদিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে ৫টি মেটাল শার্ক বোট প্রদান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমুদ্র সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে একটি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে যৌথ লক্ষ্য অর্জনে এই বোটগুলো সাহায্য করবে। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:43 0:00

XS
SM
MD
LG