অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে যুক্তরাস্ট্রে


মিনেসোটায় জর্জ ফ্লয়েড নামের একজন আফ্রিকান আমেরিকান পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়ার একমাস পরও পুলিশের বর্বরতা ও বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে যুক্তরাস্ট্রে এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে।

মিনেসোটায় জর্জ ফ্লয়েড নামের একজন আফ্রিকান আমেরিকান পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়ার একমাস পরও পুলিশের বর্বরতা ও বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে যুক্তরাস্ট্রে এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:03:43 0:00

আমাদের সহকর্মী এশা সারাই তার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, এর নতুনত্ব হচ্ছে এটি- অর্গানিক। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে যারা কাজ করছেন তাদের বক্তব্য হচ্ছে গত একমাস যেসব প্রতিবাদ বিক্ষোভ যুক্তরাস্ট্র জুড়ে হয়েছে, তা নতুন কোনো বিষয় নয় কিংবা শুধুমাত্র জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর জন্যেই নয়; এই প্রতিবাদ বছরের পর বছর ধরে পুলিশের হাতে মারা যাওয়া সব মানুষদের জন্যে।

“আর এমন একটি সময়ে ঘটেছে যখন পুলিশের দুর্ব্যাবহারের প্রতি মানুষ ত্যাক্ত বিরক্ত। ফিলান্দো ক্যাস্টাইলের পরই মিনিয়াপোলিসে জর্জ ফ্লয়েডে ভিডিও আসে। কিন্তু ঐ ভিডিওর পরও তামির রাইস, ওয়ালর্টার স্কট, ম্যাকডোনাল্ড।”

কথা বলছিলেন করনেল ব্রুকস। তিনি NAACP এর সাবেক প্রেসিডেন্ট।

কিছু কিছু বিক্ষোভকারী বলেন কোভিড-১৯ মহামারীকে উপেক্ষা করে মানুষ প্রতিবাদে নেমে পড়েছেন, তার মানে তারা কতোটা বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ।

ডিসির এক বিক্ষোভকারী হিলদা জর্ডান বলেন, “আমি আগে থেকেই বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়ে আসছি। লড়তে হচ্ছে। কোভিড ভাইরাসকে আমি জানি না, কেউ জানে না। তার পরও আমাকে হত্যা্ করা হচ্ছে্”।

হিলদা জর্ডান আরো বলেন, “দেশে বেকারত্বের হার এখন সবচেয়ে বেশী। এখনই প্রতিবাদের সময়। এখনই সকলে মিলে কিছু করার সময়”।

আফ্রিকান আমেরিকানরা মনে করেন এই বৈষম্য নতুন নয়। সোনিয়া একজন প্রতিবাদকারী।

“আমি বলতে চাচ্ছি- এই বৈষম্যের মধ্যে দিয়েই আমাকে বাঁচতে হচ্ছে। কারন আমি কৃষ্ণাঙ্গ হয়ে জন্মেছি। এটা এমন নয় যে আমি নতুন করে শিখছি”।

এবারের এই প্রতিবাদ বিক্ষোভ সামাজিক মাধ্যমের কারনে বেশী ছড়িয়ে পড়েছে। মন্তব্য করেন করনেল ব্রুকস।

“তরুনরা নানাভাবে তাদের বার্তা জানাচ্ছে। হ্যাশট্যাগ করছে কেউ, কেউ ম্যাসেজ দিচ্ছে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করছে। গোটা বিশ্বে তাদের বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে। পাবলিক পলিসি সংস্কারসহ নানা নাগরিক নীতি সংস্কারের দাবী উঠে আসছে”।

এবারের এই ব্ল্যাক লাইভস আন্দোলন আগের সব আন্দোলনের চেয়ে ভিন্ন। আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের বিশ্বাস বিগত সময় ধরে এসব নিয়ে যেসব প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে, তারই ফল এবারের এই বিশাল গন আন্দোলন।

ব্রুকস বলেন, “২৫ বছর ধরে এমন নানা প্রতিবাদে অংশ নিয়েছি গোটা দেশে। এবারকার এই আন্দোলন ব্যাপক এবং শক্তিশালি। এমনটি হবে আগগেই জানতাম। আমি ভুল ছিলাম না”।

ব্রুকসের মতো রাজপথের কর্মীরা আশাবাদী যে চলমান এই আন্দোলন একটি সত্যিকারের পরিবর্তন নিয়ে আসবে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইতিমধেই পুলিশ সংস্কার নিয়ে আলোচনরা শুরু হয়েছে।

XS
SM
MD
LG