অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পখাত গভীর ঝুকি ও সংকটের মধ্যে


বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পখাত গভীর ঝুকি ও সংকটের মধ্যে

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর কারণে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পখাত গভীর ঝুকি ও সংকটের মধ্যে রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর কারণে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পখাত গভীর ঝুকি ও সংকটের মধ্যে রয়েছে। প্রধানত করোনার কারণেই গত অর্থবছরে অর্থাৎ ২০১৯-২০ বছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এই খাতে ১ হাজার কোটি ডলার কম রপ্তানি হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৮শ কোটি ডলার, অথচ আয় হয়েছে ২ হাজার ৭৯০ কোটি ডলারের মতো।

অন্যদিকে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে এই খাতে রপ্তানি কমেছে ৬শ কোটি ডলার। গার্মেন্টস মালিকদের পক্ষ থেকে করোনা মহামারীর আগে ২০২১ সাল নাগাদ ৫ হাজার কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করলেও, বর্তমানে টালমাটাল পরিস্থিতির কারণে এই লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৩ হাজার ৪শ কোটি ডলার পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা কমেছে ১ হাজার ৬শ কোটি ডলার।

রপ্তানি আয় কমে যাওয়া এবং অর্ডার বা ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ওপরেও। গার্মেন্টস মালিক এবং বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, দেশের প্রায় ২৫ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিক এখন তাদের আগের মজুরির তুলনায় অর্ধেক মজুরিতে কর্মরত রয়েছেন। বিশাল সংখ্যায় শ্রমিক ছাঁটাই হচ্ছে এবং অনেক গার্মেন্টস কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। ধারণা করা হয়েছিল, বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ ও মহামারী আস্তে আস্তে কমে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। কিন্তু পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল নয়।

বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতের এই পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন- বাংলাদেশের প্রভাবশালী গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, করোনা পরিস্থিতির বিশাল ধাক্কা সামাল দিতে এবং আগের অবস্থায় ফিরে আসতে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে হয়তো আরো অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এই পরিস্থিতিতে বিকল্প চিন্তাও করতে হবে নীতি-নির্ধারকদের।.... ঢাকা থেকে আমীর খসরু

XS
SM
MD
LG