অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ব্যবসা বাড়াতে নৌরুটের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা-দিল্লি


বাংলাদেশ ও ভারত ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে নৌ রুটের ওপর জোর দিচ্ছে বেশি। এ জন্য একাধিক প্রটোকল সই হয়েছে। পরিত্যক্ত নৌপথ খননের কাজও শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারত ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে নৌ রুটের ওপর জোর দিচ্ছে বেশি। এ জন্য একাধিক প্রটোকল সই হয়েছে। পরিত্যক্ত নৌপথ খননের কাজও শুরু হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাসের মধ্যেকার একান্ত বৈঠকে এটাই ছিল প্রধান আলোচ্য বিষয়। এছাড়া দ্বিপক্ষীয় সব বিষয় তাদের আলোচনায় স্থান পায়।

নৌ প্রটোকল চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে তিনটি রুট রয়েছে। যার একটি রয়েছে কলকাতা-হলদিয়া, রায়মঙ্গল হয়ে বাংলাদেশের খুলনা, মংলা, কাউখালী, বরিশাল-হিজলা, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, আরিচা, সিরাজগঞ্জ, বাহাদুরাবাদ ও চিলমারী হয়ে ভারতের আসামের ধুবড়ি পান্ডু পর্যন্ত। কলকাতা-হলদিয়া, রায়মঙ্গল হয়ে বাংলাদেশের খুলনা, মংলা, কাউখালী, বরিশাল-হিজলা পর্যন্ত। একই রুটে চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, আমজিরিগঞ্জ, মার্কলী, শেরপুর, ফেষ্ণুগঞ্জ, জকিগঞ্জ হয়ে ভারতের ধুলিয়ান হয়ে বাংলাদেশের রাজশাহী গোদাগাড়ী পর্যন্ত।

গত বছর জানুয়ারিতে নৌ প্রটোকল চুক্তির আওতায় দু’দেশের নৌ রুট ব্যবহারে ২৩৮টি জাহাজকে অনুমতি দেয়া হয়। এর মধ্যে ছিল ২৫টি ভারতীয় জাহাজ। যেগুলো কলকাতা বন্দর থেকে ফ্লাই অ্যাশ নিয়ে খুলনা হয়ে নারায়ণগঞ্জ পৌঁছেছে। ওদিকে ২৯৫ কিলোমিটার পরিত্যক্ত রুটকে সচল করার কাজ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বিনিয়োগে প্রকল্পগুলো হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় প্রথম দুই বছরে ১৫ লাখ ঘনমিটার খননের সিদ্ধান্ত হয়। এতে ব্যয় হবে ৯৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। যার ৮০ ভাগ বহন করবে ভারত। গত বছর অক্টোবরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারতের নৌ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে ধুলিয়ান-গোদাগাড়ী-রাজশাহী রুট এবং গোমতী-হারোয়া নদীকে ব্যবহারযোগ্য করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি যৌথ কারিগরি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

XS
SM
MD
LG