অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পদত্যাগ, নানা প্রশ্ন


বাংলাদেশের হেলথ সেক্টর বরাবরই সিন্ডিকেট নির্ভর। সিন্ডিকেট যেভাবে চালায় সেভাবেই চলে। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। করোনাকালেও এর ব্যতিক্রম নয়।

বাংলাদেশের হেলথ সেক্টর বরাবরই সিন্ডিকেট নির্ভর। সিন্ডিকেট যেভাবে চালায় সেভাবেই চলে। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। করোনাকালেও এর ব্যতিক্রম নয়। অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে বিতর্ক যেন তাদের পিছু ছাড়ছেনা। শুরুতেই মাস্ক ও পিপিই নিয়ে নানা কেলেঙ্কারির জন্ম দেয়।

টেস্ট কমানো এবং ভুয়া করোনা রিপোর্টের খবর প্রকাশ্যে আসে। দেশ বিদেশের মিডিয়া সরব হলে কিছু ব্যবস্থা নেয়া হয়। ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যান স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার আচমকা পদত্যাগ করে বসেন স্বাস্থ্যের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তার পদত্যাগ নিয়ে কিছুটা কৌতূহলও তৈরি হয়েছে। কারণ একদিন তিনি ছিলেন অপরিহার্য। এত কেলেঙ্কারির মধ্যেও তাকে কেউ টলাতে পারেনি। বরং সরকারের তরফে একাধিকবার তার প্রশংসা করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এখন এমন কি ঘটলো যে জন্য তাকে পদত্যাগ করতে হলো!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, এতসব জানিনা। শুধু বলতে পারি তিনি ভাগ্যবান। একের পর এক ব্যর্থতার পরেও তাকে বরখাস্ত করা হয়নি। বরং পদত্যাগ করে নজীরই স্থাপন করলেন। কারণ বাংলাদেশে সহজে কেউ পদত্যাগ করেনা। রিজেন্ট ও জেকেজিকে অবৈধ ব্যবসা করার সুযোগ দিয়ে কলংক মাথায় না নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলেন। সর্বশেষ খবর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক আমিনুল হাসানকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তিনি হাসপাতালের দায়িত্বে ছিলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৭৪৪ জন।

ওদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যেটা ভাল হয় সেটাই গ্রহণ করা হবে। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:42 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG