অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করায় বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে


নতুন করে বিপুল সংখ্যায় মিয়ানমারের নাগরিক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করায় বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগের সাথে ওই ঘটনার জন্য মিয়ানমারের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে। বুধবার মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের কাছে ঢাকায় পররাষ্ট্র দফতরে এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ওই প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করেন। প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়, জাতিসংঘের হিসেবে গত ২৫ আগষ্ট থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিকের নতুন করে অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের জন্য বিশাল বোঝা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সীমান্তের শুন্য রেখা বরাবর মাইন পুতে রাখার জন্য বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব এ্যান্তোনিও গুতেরেজ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে হাজার হাজার মানুষ পালিয়ে দেশ ত্যাগে বাধ্য হওয়ায় পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীলতার ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে বলে সতর্কবানী উচ্চারণ করেছেন। রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা ও মানবিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ মহাসচিব জাতিসংঘের সদর দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, এই পরিস্থিতি উগ্রবাদকে বাড়িয়ে তুলবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিপুল সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের কারণে নিদারুন সংকটের সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করে এদের জন্য মানবিক সাহায্য প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে।

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে লেখা এক খোলা চিঠিতে রাখাইন রাজ্যের সংকট নিরসনে তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বুধবার নাফ নদীতে রোহিঙ্গা বোঝাই ১১টি নৌকা ডুবে গেলে এ পর্যন্ত ৬জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ শতাধিক নিখোঁজের কথা জানিয়েছে। ...ঢাকা থেকে আমীর খসরু

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:06 0:00

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অনুরোধ ছিল, মায়ানমার থেকে তাড়া-খাওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ভারতে আশ্রয় পাক। মায়ানমার সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন না চালাতেও ও দেশের সর্বোচ্চ নেত্রী সু চি-কে অনুরোধ করুন। তেমন কিছু ঘটেছে বলে ইঙ্গিত নেই। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বরং মায়ানমারের ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষা নিয়েই জোর দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন আগেই কলকাতায় ২৪ জন রোহিঙ্গা মেয়েকে রাষ্ট্রপুঞ্জের শরণার্থী কার্ড দেওয়ার উদ্যোগও শেষ মুহূর্তে বাতিল হয় ভারত সরকারের নির্দেশে। বস্তুত, বেআইনি ভাবে ভারতে আসা রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোই দিল্লির নীতি। কেননা, যে কোনও শরণার্থী গোষ্ঠীই জঙ্গীদের বশীভূত হয়ে যাবার আশঙ্কা থাকে। সব রাজ্যকে কেন্দ্রের নির্দেশ, এদের ওপর কড়া নজরদারি চালাতে হবে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:00:51 0:00

XS
SM
MD
LG