অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গা বিষয়ে সূ চীর সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনা


মিয়াম্মার তার সেই উপনিবেশিক সময় থেকেই বিদেশি কোনো শক্তির প্রতি বেশিরকমের ঝুঁকে পড়া হ’তে দূরে সরে থাকার লক্ষে নিরপেক্ষ একটা পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন ক’রে রেখেছে কিন্তু দেশের ভেতরেই রাজনৈতিক সংকটাবস্থা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠায় তাকে চীনের পানে ঠেলে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্ষোভ-রোষের বিপরীতে, মধ্যবর্তী ক্ষুদ্র নিরপেক্ষ একটি রাষ্ট্রের মতো ক’রে।

মিয়াম্মার তার সেই উপনিবেশিক সময় থেকেই বিদেশি কোনো শক্তির প্রতি বেশিরকমের ঝুঁকে পড়া হ’তে দূরে সরে থাকার লক্ষে নিরপেক্ষ একটা পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন ক’রে রেখেছে কিন্তু দেশের ভেতরেই রাজনৈতিক সংকটাবস্থা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠায় তাকে চীনের পানে ঠেলে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্ষোভ-রোষের বিপরীতে, মধ্যবর্তী ক্ষুদ্র নিরপেক্ষ একটি রাষ্ট্রের মতো ক’রে।

পশ্চিমা নেতৃবর্গ ব’লছেন – স্বল্পবিত্তের – দ্রূত বিকাশমান দক্ষিনপূর্ব এশিয় এ দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে তার সীমান্তবর্তী এলাকার কাছাকাছি মূসলীম যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি, তাদেরকে নিশ্চিহ্ন ক’রতে এখন উঠে পড়ে লাগছে। মিয়াম্মারের রাষ্ট্র প্রধাণ অন সান সূ চী’ দেখা ক’রলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ঈ’র সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার লক্ষে, এগারো ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক বিচারালয় International Court of Justice- ICJ-র এজলাশে উপস্থিত হবার আগে।

মিয়াম্মার এখন প্রধানত: মূসলীম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠির ওপর গণহত্যা পরিচালনার দায়ে অভিযুক্ত।

দু’হাজার এগারোর আগে সামরিক হূন্তা যখন কিনা দেশটিতে শাসন চালাচ্ছিলো, চীন সে সময় মিয়াম্মারের মদতে সমর্থন জুগিয়েছিলো। চীন নিজেই এখন উইঘুর যে জাতিগোষ্ঠী বেজিংয়ের শাসনাধীনে থাকতে চায়না সেই তাদের ওপর কথিত অবদমনের অভিযোগে নাস্তানাবুদ অবস্থায় রয়েছে।

চীনের প্রতি মিয়াম্মারের বর্ধমান নির্ভরতা ভারত এবং দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার দেশসমুহকে উদ্বিগ্ন ক’রতেই পারে – যারা কিনা দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার অন্তর্গত বৃহত্তর দেশগুলো চীনের প্রভাব প্রতিপত্তির রাশ টেনে রাখতেই বেশি আগ্রহী।

XS
SM
MD
LG