অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরান সংকটের শেষ কোথায়?


ইরানের শীর্ষ সেনা কমান্ডার জেনারেল কাশেম সোলাইমানিকে হত্যার বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসাবে গত সপ্তাহে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

ইরানের শীর্ষ সেনা কমান্ডার জেনারেল কাশেম সোলাইমানিকে হত্যার বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসাবে গত সপ্তাহে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ইরান এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত রাখলে ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আরো পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দেয়।

ইরান ভুল করে ইউক্রেনিয়ান উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার পর শত শত ইরানী ইরানের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ বিক্ষোভে নামেন। ঐ উড়োজাহাজের ১৭৬ সকলেই নিহত হন।

ইরানের ইসলামিক রেভোলুশনারী গার্ড কর্পস এর গুলীতে ঐ উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার পর নিহতদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশের মানুষ শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। বিভিন্ন স্থানে তাদের স্মরণে অনুষ্ঠান হয়। ইরানী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানী ঘটনার পর এক বিবৃতিতে ঘটনাটি বেদনাদায়ক ও মানবিক ভুল বলে মন্তব্য করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানে শুরু হয় সরকার বিরোধি বিক্ষোভ। সেইসব বিক্ষোভ থামাতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।

যুক্তরাস্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বেশ কয়েক দফা টুইট করেন ঐ ঘটনার পর। ইংরেজী ও পার্শিয়ান ভাষায় করা টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানী প্রতিবাদকারীদের সমর্থন করেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন ইরান দোষ স্বীকার করেছে। তবে পুরোপুরি দোষ তাদের কাঁধে নিতে হবে এবং এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে। দোষীদের বিচার করতে হবে, নিহতদের পরিবারের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে হবে এবং কুটনৈতিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে।

ঐ প্লেনের অধিকাংশ যাত্রী ছিলেন কানাডার। কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন ইরানকে জবাবদিহি করতে হবে বিশ্বের কাছে। এমন দুখজনক ঘটনার যেনো আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের নিক্তিতে, ইরানের বর্তমান অবস্থা কতোদূর গড়পতে পারে, কি ঘটতে যাচ্ছে ইরানের ভবিষ্যৎ, বড় কোনো যুদ্ধের আশংকা আছে কিনা, এসব নিয়ে আজকের আলোচনায় অংশ নেন আরিকান ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের এ্যাডজাংক ফ্যাকাল্টি ড. সাইদ ইফতেখার আহমেদ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাব এনাম খান।

please wait

No media source currently available

0:00 0:38:05 0:00


XS
SM
MD
LG