অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র কাতারের সাথে উপসাগরীয় দেশগুলির দ্বন্দ্ব নিরসনের আহ্বান জানিয়েছে


Secretary of State Mike Pompeo, right, and Qatar's Deputy Prime Minister Mohammed bin Abdulrahman Al Thani sign a memorandum of understanding during the third annual U.S.-Qatar Strategic Dialogue at the State Department, Sept. 14, 2020 in Washington.

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-কাতার সামরিক কৌশলগত তৃতীয় বার্ষিক সংলাপে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারের সাথে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলির যে তিন বছরের দীর্ঘ দ্বন্দ্ব চলছে তা আশু সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে ।

ইরানের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে শক্তিশালী হবার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, "ইরানের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ বন্ধ করার জন্য, উপসাগরীয় বিরোধ বন্ধ করার এখনই সময়। তিনি আরো বলেন “ট্রাম্প প্রশাসন, এই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে এবং কাতারের যে বিমান ও স্থল সীমান্ত অন্য উপসাগরীয় দেশগুলির দ্বারা অবরুদ্ধ, তা পুনরায় চালু করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রত্যাশা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-কাতার সামরিক কৌশলগত তৃতীয় বার্ষিক সংলাপের জন্য পররাষ্ট্র দফতরে কাতারের উপ-প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহমান আল থানি এবং অর্থমন্ত্রী আলী শরীফ আল ইমাদিসহ কাতারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্বাগত জানানোর পরে পম্পেও এ বক্তব্য রাখেন।

২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাহরাইন এবং মিশর কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল এবং সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করার অভিযোগ এনে বয়কট করেছিল। তবে কাতার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

বয়কটকারী দেশগুলোর ১৩ টি দাবি ছিল, এর মধ্যে ছিল যে কাতার আল-জাজিরা নিউজ নেটওয়ার্ক বন্ধ করবে, মুসলিম ব্রাদারহুডের মতো ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, ইরানের সাথে তার যোগাযোগকে সীমাবদ্ধ করবে এবং তুরস্কের সেনাকে তার অঞ্চল থেকে বহিষ্কার করবে।

তবে, কুয়েত এবং যুক্তরাষ্ট্র, কাতারের সাথে উপসাগরীয় দেশগুলির দ্বন্দ্ব মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেছে। যদিও এই অঞ্চলটিকে ইরানের বিপরীতে একীকরণের জন্য ওয়াশিংটনের এই প্রচেষ্টা আরবের সাথে আঞ্চলিক আধিপত্যের প্রতিযোগী হিসাবে দেখা হচ্ছে।

XS
SM
MD
LG