অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১০০০ লোক করোনায় মারা যাচ্ছেন


গতকাল হোয়াইট হাউজে সংবাদদাতাদের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন যুক্তরাষ্ট্র এই মহামারির কাল মূলত কাটিয়ে উঠেছে এবং নিজ নিজ রাজ্যে লকডাউন শিথিল করতে তিনি গভর্ণদের প্রতি আহ্বান জানান।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসেব অনুযায়ী গতকাল একদিনেই যুক্তরাষ্ট্রে কভিড ১৯ এ মারা গেছে ৯০০ জন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাত্তে দেখা গেছে বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রেই সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এই মহামারিতে জীবন হারিয়েছে। এখানে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক লক্ষ নয় হাজার এক শ’ তেতাল্লিশ জন আর এর এক তৃতীয়াংশই মারা গেছে নিউ ইয়র্কে । মৃত্যুর হার হিসেবে, ব্রিটেনের স্থান দ্বিতীয় সেখানে ৪০,৩৪৪ জন মারা গেছে। তার পরই আছে ব্রাজিল এবং ইটালির স্থান। সেখানে মারা গেছে যথাক্রমে ৩৪,০২১ জন এবং ৩৩,৭৭৪ জন। সংক্রমণের দিকে দিয়েও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ স্থানে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মোট সংক্রমিত রোগির সংখ্যা আঠারো লক্ষ চুরানব্বই হাজার আট শ’ আটত্রিশ জন, এর পরই হচ্ছে ব্রাজিল, সেখানে সংক্রমিত রোগির সংখ্যা ছয় লক্ষ চৌদ্দ হাজার নয় শ একচল্লিশ জন । তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া এবং ব্রিটেন। রাশিয়ায় সংক্রমিত হয়েছে চার লক্ষ উনপঞ্চাশ হাজার দু শ’ ছাপ্পান্ন জন এবং ব্রিটেনে দু লক্ষ চুরাশি হাজার সাত শ’ চৌত্রিশ জন। গোটা বিশ্বে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা হচ্ছে সাতষট্টি লক্ষ বায়ান্ন হাজার ঊনপঞ্চাশ জন , মারা গেছে তিন লক্ষ পঁচানব্বই হাজার দুশো তেত্রিশ জন।

এ দিকে আজই এক বিবৃতিতে কুড়িটি ধনী এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতি সম্পন্ন দেশের গোষ্ঠি জি-টুয়েন্টি বলেছে যে তারা এই মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোটি কোটি ডলার প্রদানে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন মুখে মাস্ক পরার ব্যাপারে তাদের পরামর্শ পরিবর্তন করেছে। তারা বলছে মাস্ক সেই সব জায়গায় পরা উচিৎ যেখানে কভিড ১৯ ব্যাপক ভাবে ছড়িয়েছে এবং শারিরীক দূরত্ব বজায় রাখাটা কঠিন ।

যুক্তরাষ্ট্রে অনেক দোকানেই ক্রেতাদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং গণপরিবহনগুলোও আরোহীদের জন্য মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করেছে।

XS
SM
MD
LG