অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ল্যানসেটের আশংকা করোনা বেসামাল হতে পারে বাংলাদেশে


বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণা সাময়িকী দ্য ল্যানসেটে এই আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। ল্যানসেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, একদিকে বর্ষা, অন্যদিকে ডেঙ্গু। এরমধ্যে করোনা। এই অবস্থায় করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণহীণ হয়ে যেতে পারে। ঢাকার কয়েকজন স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী নাম প্রকাশ না করার শর্তে ল্যানসেটকে বলেছেন, সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের দেশে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টেস্ট হচ্ছে। এটা একদমই সামান্য। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এই মহামারি অনেকদিন থাকবে। শীতে এর দাপট আরও বাড়তে পারে।

করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একদম বন্ধ রয়েছে। এরমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নানা গুজব চলছে। এই পটভূমিতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, পরীক্ষা নেয়ার মত পরিস্থিতি এখন নেই। এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে এবং কখন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা এখনও অনিশ্চিত। তাই গুজবে কান না দেয়ার কথা বলেছে মন্ত্রণালয়। করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটিও বলেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলে শিশুদের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকবেন। বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে শিশুদের মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লেমেশন সিনড্রোম নামক জটিলতার খবর রয়েছে। যা কিনা আশংকাজনক ও শিশু মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এই অবস্থায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে আগের ভাড়ায় চলবে গণপরিবহন। করোনা মহামারির কারণে ২৫শে মার্চ থেকে ৬৬ দিন গণপরিবহন একদম বন্ধ ছিল। জুন থেকে শর্ত সাপেক্ষে বাস চলাচল শুরু হয়। তখন অবশ্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বাধ্যবাধকতা ছিল। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গণপরিবহনে যাত্রী বেড়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি থাকছে উপেক্ষিত। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শনিবার এক অনুষ্ঠানে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। বলেন, শর্ত সাপেক্ষে ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে। গণপরিবহনের যাত্রী, চালক সুপারভাইজার, চালকের সহকারী, টিকিট বিক্রয়কারী সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। পর্যাপ্ত সাবান পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোন অবস্থাতেই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না।

ওদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ১৩১ জন শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার হচ্ছে ১৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। সবমিলিয়ে শনাক্ত হয়েছেন তিন লাখ আট হাজার ৯২৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩২ জন। এ পর্যন্ত চার হাজার ২০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:21 0:00


XS
SM
MD
LG