অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত চার লাখ ছাড়াল


বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক হাজার ৪৩৬ জন আক্রান্তের মধ্যে দিয়ে সংখ্যা দাঁড়াল চার লাখ ২৫১ জন। এদিন মারা গেছেন ১৫ জন। এ পর্যন্ত মারা গেছেন পাঁচ হাজার ৮১৮ জন। সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ১৬ হাজার ৬০০ জন।

ওদিকে মাস্কের ব্যবহার নিয়ে সরকারি নির্দেশনা শুরু থেকেই অকার্যকর ছিল। এখনও তাই। রোববার মাস্ক ব্যবহার পুনরায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগে তো জেল জরিমানারও বিধান ছিল। কিন্তু এক সরকারি সমীক্ষা বলছে, শতকরা ৪৫ ভাগ মানুষ ঢাকাতেই মাস্ক পরেন না। ঢাকার বাইরের চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। মাত্র ২০ ভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করেন। গ্রামে-গঞ্জে মাস্কের ব্যবহার নেই বললেই চলে। সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, কেউ পরে না আমরা কেন পরবো! ঢাকায় গণপরিবহনে অর্ধেক মানুষই মাস্ক পরেন না। সমীক্ষা আরও বলছে, দোকান-পাটে ব্যবসায়ীরা মাস্ক ব্যবহারে উদাসীন। এমনকি হাসপাতালগুলোতেও অনেক মানুষ মাস্ক পরেন না। শতকরা ৯০ ভাগ রিকশাওয়ালাদের মুখে কোনো মাস্ক নেই। প্রশাসনকে বলা হয়েছিল, যে করেই হোক মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের মুখেও মাস্ক দেখা যায় না। এই অবস্থায় রোববার অনেকটা বাধ্য হয়েই 'নো মাস্ক, নো সার্ভিস' বলে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিকা না আসা পর্যন্ত করোনা থেকে বাঁচতে মাস্কই একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু জনগণকে এটা বোঝানো যাচ্ছে না। তারা অবশ্য বলছেন, এখানে সরকারি উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মাস্কের ব্যবহার সম্পর্কে নয়টি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর বেশিরভাগই উপেক্ষিত। সঠিক উদ্যোগের অভাবে ফাইলেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। গত ২১শে জুলাই ১১ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়। এর প্রথম নির্দেশনা ছিল, সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মরতদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে। সে নির্দেশনাও কার্যকর হয়নি। এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক বিজ্ঞানী অধ্যাপক মোজাহেরুল হক মনে করেন, শুধু নির্দেশনা জারি করে জনগণকে বাধ্য করা যাবে না। সরকারকে এক্ষেত্রে কঠোর হতে হবে। স্মরণ করা যায় যে, ৩১শে মে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর থেকেই মাস্কের ব্যবহার মানুষ অনেকটা ভুলে যায়।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:05 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG