অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

হোলি আর্টিজান হামলার চতুর্থ বছর


পহেলা জুলাই ২০১৬ রাত পৌনে নয়টায় গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিদের অতর্কিত হামলায় সারারাত জিম্মি করে রাখা হয় বেকারির সবাইকে‌। রুদ্ধশ্বাস রাত পেরিয়ে ভোরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো নামে অভিযানে। থান্ডারবোল্ট নামের সেই অভিযানে হামলায় সরাসরি অংশ নেয়া পাঁচ তরুণের সবাই মারা যায়।তখনই দেখা যায় বিদেশিসহ ২২ জনকে গলা কেটে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। বেকারি‌র ভিতর থেকে আরো ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়।

সেই হামলার পর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের জঙ্গি দমনে বিশেষ সেল গঠন করার পাশাপাশি ২০১৯ সালের নভেম্বরে সারাদেশে এন্টি টেরোরিজম ইউনিট নামে পৃথক ইউনিট গঠন করা হয়। সেদিনের জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকে পুলিশ, র‌্যাব সর্বদা সদা তৎপর।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম হোলি আর্টিজানে নিহত ‌ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানাতে এসে বলেন- করোনার সময় জঙ্গি হামলার বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছে।অন্যদিকে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন- আমরা এক হাজারেরও অধিক জঙ্গিকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি।

গত বছর এই হামলার রায় হয় সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। রায়ে আট আসামির মধ্যে সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড ও এক জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে শুনানির অপেক্ষায়।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:30 0:00


XS
SM
MD
LG