অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশ সীমান্তে আক্রমণাত্মক মিয়ানমার


myanmar border fence

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ করছে মিয়ানমার। সীমান্তের বেশ কিছু স্থানে বসানো হয়েছে স্থলমাইন। বারবার আকাশসীমা লঙ্ঘন এবং গুলি বর্ষণ ছাড়াও বলা চলে বাংলাদেশ সীমান্তে অনেকটা আক্রমণাত্মক মিয়ানমার।

বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তের কোনারপাড়া শূণ্যরেখায় আশ্রয় নেয়া প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গাকে বিভিন্ন সময় অস্ত্র প্রদর্শন, গুলি বর্ষণ ও হুমকি দেয় মিয়ানমার। সম্প্রতি তুমব্রু খালের উপর পিলার নির্মাণ শুরু করায় আতংক বিরাজ করছে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে। খালের উপর স্থাপনা নির্মাণ করা হলে শূণ্যরেখায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের আবাসনগুলো বর্ষায় পানিতে তলিয়ে যাবার আশংকা করা হচ্ছে।

সীমান্ত কর্মকান্ড নিয়ে রয়েছে আন্তর্জাতিক আইন। সীমান্তে কোন স্থাপনা করতে উভয় দেশের সম্মতি প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল এস এম বায়েজিদ খান। সম্প্রতি মিয়ানমারের মংডুতে অনুষ্ঠিত উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর এক পতাকা বৈঠকে এসব বিষয় উত্থাপন করেছে বডার্র গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

ওই বৈঠকে নেতৃত্বদানকারী বিজিবি‘র কক্সবাজার আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আইনুল মোর্শেদ খান পাঠান বলেন, সীমান্তে স্থাপন করা স্থলমাইন অপসারণে উভয় দেশের যৌথ অভযানে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। বারবার আকাশ সীমা লঙ্ঘন, সীমান্তে স্থলমাইন স্থাপন ইত্যাদি বিষয়েও অভিযোগ দেয়া হয়েছে একাধিক বৈঠকে।

সীমান্তে মিয়ানমারের আক্রমনাত্মক ভূমিকা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া ছাড়াও আরো সুদূর প্রসারী কোন পরিকল্পনার অংশ হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশ্লেষক আসিফ মুনীর বলেন, বাংলাদেশের উচিত চুপ না থেকে বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হওয়া। সীমান্তের স্থলমাইন অপসারণ এবং জল, স্থল ও আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে বাংলাদেশকে আরো সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল, ভয়েস অফ আমেরিকা, কক্সবাজার।

বাংলাদেশ সীমান্তে আক্রমণাত্মক মিয়ানমার
please wait

No media source currently available

0:00 0:02:31 0:00

XS
SM
MD
LG