অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতের ভ্যাকসিনের দাম বেশি হলে অন্য দেশে যাবে বাংলাদেশ


ভারতীয় ভ্যাকসিনের দাম বেশি, এ নিয়ে বিতর্ক চলছে। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হচ্ছে, তিন ডলারের ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে পাঁচ ডলারে। এই অবস্থায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, কোনো দেশ যদি ভ্যাকসিনের দাম বেশি নেয়, তখন অন্য দেশ থেকে ভ্যাকসিন আনা হবে। ভারতের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেশি দামে ভ্যাকসিন কেনা হচ্ছে। এর ফলে বাজেটে কী প্রভাব পড়বে এমন এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখবো আন্তর্জাতিক বাজারে ভ্যাকসিনের দাম কতো। ভ্যাকসিন শুধু একটি দেশ তৈরি করছেনা, অনেক দেশই করছে। তাই আমাদের অন্য দেশে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ওদিকে বেসরকারি খাতে ভ্যাকসিন বিক্রির অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা বেক্সিমকো ফার্মা। ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনটি আট ডলার মূল্যে কিনবে দেশীয় এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন কেনার চুক্তি হয়েছে। বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইতিপূর্বে করা এক চুক্তির আওতায় বেক্সিমকো প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির অনুমতি পেয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছবে বলে জানানো হয়েছে। ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তি অনুযায়ী প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়েছে চার ডলার। কিন্তু বেসরকারি বাজারে এই ভ্যাকসিনের মূল্য প্রায় দ্বিগুণ। আগেই জানানো হয়েছে, আগামী মাসের শুরুর দিকে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হবে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:55 0:00
সরাসরি লিংক

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন।

বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান করোনা ভাইরাস ধ্বংসের 'ন্যাজাল স্প্রে' উদ্ভাবনের দাবি করেছে। বাংলাদেশ রেফারেন্স ইন্সটিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস নামক সংস্থাটি বলেছে, সীমিত পরিসরে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০ জন রোগীর মধ্যে এই স্প্রে'র ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়ে কার্যকারিতা পেয়েছে। এখন বড় পরিসরে ট্রায়াল চালানো হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এই স্প্রে'র কার্যকারিতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিয়েছেন।

XS
SM
MD
LG