অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গাদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতন করা হচ্ছে


বাংলাদেশে ৫ মে পর্যন্ত কক্সবাজারে ৫০ জন কোভিড-১৯ পজিটিভ সনাক্ত হয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে করোনা সংক্রমণ সনাক্ত হয়নি। সন্দেহজনকদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা চলমান রয়েছে।
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
ক্যাম্পগুলোতে কোভিড-১৯ মহামারি সম্পর্কে সচেতন করার পাশাপাশি করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার জানিয়েছেন, ক্যাম্পে সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে এনজিও কর্মীদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। খাদ্য সরবরাহ, চিকিৎসা ও সংকটকালীন অতিজরুরি সেবা চালু করা হয়েছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র লুইস ডনোভান জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে যদিও এখনো কোন করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়নি, এরপরও সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সচেতনতা চালানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য সেবা বাড়ানো হয়েছে। রোহিঙ্গা এবং স্থানীয়দের জন্য আইসোলেশন সুবিধা স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে ইনসেনটিভ কেয়ার প্রস্তুত করা হয়েছে। পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে।
উন্নয়ন সংস্থা একশন এইড বাংলাদেশের সিনিয়র কমিউনিকেশন অফিসার আব্দুল হালিম সুমন জানিয়েছেন, প্রশিক্ষিত রোহিঙ্গা নারীদের মাধ্যমে একশন এইডের ৩টি সেন্টারে মাস্ক তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ রেসপন্সের অংশ হিসেবে ক্যাম্পে কবরস্থানও প্রস্তুত করা হয়েছে।
জানা যায়, ক্যাম্পগুলোতে আগে থেকেই ৮৫টি কবরস্থান রয়েছে। কোভিড-১৯ রেসপন্সের অংশ হিসেবে নতুন আরো দু’টি কবরস্থান প্রস্তুত করা হয়েছে।
জাতিসংঘ নেতৃত্বাধীন ইন্টারসেক্টর কোঅর্ডিনেশন গ্রুপের (আইএসসিজি) মুখপাত্র সৈকত বিশ্বাস জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে শরণার্থী ক্যাম্পে ১৫০০টি আইসোলেশন বেড প্রস্তুত করা হয়েছে।
XS
SM
MD
LG