অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১৬০২, মৃত ২১ জন


বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ রুখতে কোন দাওয়াই কাজে আসছে না। মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে নতুন করে চিন্তার ভাজ। তারা ঢাকায় রাতে কারফিউ জারি করার পরামর্শও দিয়েছেন। তারা মনে করেন জনসচেতনতার অভাবেই পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। এই যখন অবস্থা তখনই স্বাস্থ্য বুলেটিনে খবর এলো গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ২১ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৬০২ জন। এটা এ যাবৎ কালের রেকর্ড। বিশেষজ্ঞদের মত হচ্ছে যত বেশি টেস্ট হবে ততই সংখ্যা বাড়বে। রাজধানীর বাইরের চিত্র অন্যরকম। টেস্ট কম, শনাক্ত বেশি। প্রতি পাঁচ জনে একজন শনাক্ত হচ্ছেন। গত ১৭ই মে পর্যন্ত ২১টি ল্যাবে ঢাকা সিটিতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪১৫টি। এর মধ্যে করোনার সন্ধান মিলেছে ৯ হাজার ৯শ’ ৬৫ জনের শরীরে।

ঢাকার বাইরে ২১টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৯শ’ ৯৩টি। এর মধ্যে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৭০০ জন। ঢাকার বাইরে টেস্ট কম শনাক্ত কেন বেশী জানতে চাইলে দেশের স্বনামখ্যাত ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকায় নমুনা সংগ্রহের মান ভাল নয়। বাইরে মান উন্নত হওয়ায় শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে। জনচলাচল এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে একধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও মোটেই কাজে আসছে না। বলা হয়েছে- যে যেখানে অবস্থান করছেন সেখানেই থাকতে হবে। কে মানে এটা! মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেলে করে গ্রামের বাড়ির দিকে ছুটছেন অগণিত মানুষ। পরিস্থিতি এমনই মানুষের চাপে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।

সর্বশেষ হাইকোর্টের একজন বিচারক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার শরীরের অবস্থা অবনতির দিকে যাওয়ায় তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে চিকিৎসক, নার্স, পুলিশ, সাংবাদিক, আমলা, প্রকৌশলী, ব্যাংকার ও আইনজীবীসহ সব পেশার মানুষই আক্রান্ত হয়েছেন।

ওদিকে, শত খারাপ খবরের মধ্যেও গত ১৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৮০ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন। গত মাসের রেমিটেন্সে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:04 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG