অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৬১৭, মৃত ১৬ জন


বাংলাদেশে একদিকে করোনার মরণ কামড়। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আতংক। এই দুই মিলিয়ে এবারের ঈদে মানুষের মনে নেই কোন আনন্দ। বড় বড় শপিং মলগুলো বন্ধ। অল্প বিস্তর কিছু দোকান খুললেও উপচে পড়া ভিড় নেই। রয়েছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নজরদারি। ঘরমুখো মানুষের ঢল থামাতে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক। যদিও অনেকেই নানাভাবে রাজধানী ছেড়ে চলে গেছেন। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। বলা হয়েছে, আগামীকাল থেকে নিরাপত্তা চৌকিগুলো আরও সক্রিয় হবে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৬ জন। শনাক্ত হয়েছেন ১৬১৭ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ হাজার ৭৩৮ জন। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ২৮ তম। গত ১৮ই মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৩৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খোলা জায়গায় ঈদের জামাত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিখ্যাত শোলাকিয়া ময়দানেও ঈদ জামাত হচ্ছে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী সিগারেটসহ সব ধরণের তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়ে গেছে। আর এটা হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে।

করোনা উপসর্গ টেস্ট করতে গিয়ে বাংলাদেশের খবরের একজন ফটো সাংবাদিক মারা গেছেন। এর আগে আরও তিনজন সাংবাদিক করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। সবমিলিয়ে ১৫২ জন সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছেন। পুলিশে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ পর্যন্ত ২৮৯৫ জন পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৯ জন।

ওদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক তার সহকর্মীদের কাছে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, দেশের মানুষ অসচেতন। এ কারণে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে এই ঘনবসতিপূর্ণ শহরে ও শিল্পাঞ্চলে ব্যাপকভাবে সংক্রমণ হলে তাদের আইসোলেশন সার্ভিস ও চিকিৎসা সুবিধা প্রদান প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:48 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG