অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পর্যটকদের কক্সবাজার ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করছে বাংলাদেশ


বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে মাইকিং করে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে পর্যটকদের। করোনা ভাইরাসের কারণে কক্সবাজারকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে যেকোন গণ জমায়েত এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিচ্ছেন টুরিস্ট পুলিশ।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত পর্যটন স্পট এবং হোটেল-মোটেলগুলোতে জনসমাগম এড়িয়ে চলার নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কোন কোন পর্যটক। কেউ কেউ আবার কক্সবাজার ভ্রমণে এসে বেকায়দায় পড়ে হতাশাও ব্যক্ত করেছেন।

বুধবার সকাল থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে বিতরণ করা হয়েছে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতামূলক প্রচারপত্র। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে এ পর্যন্ত ৫ জনকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। হোম কোয়ারান্টাইন অমান্য করায় দু’জন বিদেশ ফেরতকে জরিমানা করা হয়েছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কক্সবাজারে জনসমাবেশ, বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান পরিবেশনসহ সবধরনের জনাসমাগমে নিষেধাজ্ঞার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।

কক্সবাজার বিমান বন্দর, বাস টার্মিনাল এবং টেকনাফ স্থল বন্দরে নজরদারি জোরদারের কথাও জানান তিনি।

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ইতোমধ্যে হোটেল মোটেলগুলোর বুকিং বাতিল করেছেন অনেক সচেতন পর্যটক। অনেক ভ্রমণকারী বাস এবং বিমানের টিকেট বাতিল করছেন বলে জানিয়েছেন ট্যুর অপারেটর দেলোয়ার হোসেন।

পর্যটন ব্যবসায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

XS
SM
MD
LG