অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই


বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা এখন অবধি অজানাই রয়ে গেছে। যদিও নানামুখী তদন্ত চলছে। তদন্তে নেমেছে এফবিআই। স্থানীয় তদন্তকারী সংস্থা সিআইডিও তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাশউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি রোববার থেকে কাজ শুরু করেছে। ফিলিপাইনের সিনেটে এ নিয়ে পর পর দু’দিন শুনানি হয়েছে। কিভাবে ৮০০ কোটি টাকা ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে গায়েব হয়ে গেল, সে প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

সিআইডি'র সঙ্গে এফবিআই বৈঠক করেছে। এফবিআই এ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেনি। তবে সিআইডি'র অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক শাহ আলম বলেছেন, টেকনিক্যাল বেশ কিছু বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

শুরুতে এ বিপুল অর্থ লুটের ঘটনায় নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার নাম এসেছিল। এখন হংকং, সিঙ্গাপুর ও ম্যাকাওয়ে এই টাকা পাচার হয়েছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন। এই অবস্থায় সিআইডির একটি প্রতিনিধি দল ফিলিপাইন যাচ্ছে।

এদিকে, ড. আতিউর রহমানের পদত্যাগের পর নিয়োগ পাওয়া নতুন গভর্নর ফজলে কবীর রোববার দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে তার দু’টি কাজ। এক হচ্ছে ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা। দ্বিতীয় হচ্ছে টাকা ফেরত আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা।

অন্যদিকে, সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে চাপের মধ্যে পড়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারাই এই চুরির সঙ্গে জড়িত বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। সাবেক গভর্নরকে এ জন্য সরাসরি দায়ী করেছেন। এ নিয়ে দলের ভেতরেই প্রতিক্রিয়া হয়েছে। রোববার দু’টি মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অর্থমন্ত্রী যোগ দেননি। ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির তিনি নিজেই সভাপতি। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:01 0:00

XS
SM
MD
LG