অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই বাংলাদেশে কাল থেকে সব খুলছে


বাংলাদেশে করোনার প্রথম ঢেউ এখনো থামেনি। বরং মৃত্যু ও সংক্রমণ নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। এর মধ্যেই কাল থেকে সবকিছু চালু করা হচ্ছে। সরকারি, আধা-সরকারি অফিসের তালা খুলবে। গণপরিবহণও যাত্রা শুরু করবে। রেল চলবে। বিমানও চলবে। শুরু হবে লঞ্চ চলাচল। তবে সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, পরিসর হবে সীমিত। বাসে ওঠানো যাবে অর্ধেক যাত্রী। রাস্তায় গণপরিবহন নামার আগেই শনিবার দুপুরে বাস মালিকরা সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেন শতকরা ৮০ ভাগ ভাড়া বাড়াতে হবে। বন্ধ থাকা পূঁজিবাজারেও লেনদেন শুরু হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এমন সিদ্ধান্ত কার্যকরের কথা বলা হয়েছে। অথচ করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি আরও সময় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। তারা বলেছিল, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা হলো রোগ সংক্রমণের হার সুনির্দিষ্টভাবে কমার আগে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালু করলে রোগের হার বাড়ার আশংকা থাকে। শুধু পরামর্শক কমিটিই নয় প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এর বিরোধিতা করেছে। বলেছে, এটা বড় কোন বিপদ ডেকে আনবে। মিডিয়াও একই সুরে কথা বলছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রায় সবাই একবাক্যে বলছেন, এক সঙ্গে সব খুলে দেয়াটা সঠিক হবেনা। কিন্তু সরকার তার সিদ্ধান্তে অনঢ়। তাদের কথা- জীবিকার স্বার্থে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু ছাড়া বিকল্প নেই। এই যখন অবস্থা তখন নিত্যদিনের স্বাস্থ্য বুলেটিন আরও ভীতিকর খবর দিয়েছে। জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে অদৃশ্য এই ভাইরাসটি। এই সময়ে ১ হাজার ৭৬৪ জনের শরীরে করোনার হদিস মিলেছে। সব মিলিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগী এখন ৪৪ হাজার ৬০৮ জন। ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ধরা পড়ে। ২৬শে মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো হয়।

ওদিকে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ই জুন পর্যন্ত ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম চলবে। গত ১১ই মে দেশে ভার্চুয়াল বিচার ব্যবস্থা চালু হয়।

ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:57 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG