অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংসদে, ব্যাপক প্রতিক্রিয়া


Dhaka, Bangladesh

গণমাধ্যম কর্মী, নাগরিক সমাজ, দেশী-বিদেশী মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনা ও আপত্তি অগ্রাহ্য করে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ জাতীয় সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া পেশ করেছে। দেশে সাইবার অপরাধ দমন এবং তথ্যপ্রযুক্তির অপপ্রয়োগ রোধে এই বিল আনা হলেও আশংকা করা হচ্ছে যে, এই বিলের কিছু ধারা বাংলাদেশের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হুমকি বয়ে আনবে। বিশেষ করে এই আইনে ২০০৬ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সবথেকে বিতর্কিত ৫৭ ধারা, যাতে রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার দায়ে ১৪ বছর জেলের বিধান ছিল, সেই ধারাটিও ভিন্ন আদলে রেখে দেওয়া হয়েছে। এই আইনে ১৪টি ধারার অপরাধ অজামিনযোগ্য রাখা হয়েছে। শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরে বসেও কেউ এই আইনের অধীনে পড়ে এমন অপরাধ করলে এই আইনে বাংলাদেশের আদালতে বিচার করার বিধান রাখা হয়েছে। এ সম্পর্কে নিউ এইজ সম্পাদক নুরুল কবীর বলেন, এটা হচ্ছে অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক আইন।
ওদিকে আইন মন্ত্রী আনিসুল হক মঙ্গলবার বলেছেন, সাংবাদিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। বিলটি এখন সংসদীয় কমিটিতে যাবে, তাই এনিয়ে আলোচনার সুযোগ রুদ্ধ হয়নি।
সোমবার প্রস্তাবিত আইনটি সংসদে তোলা হলে বিরোধী জাতীয় পার্টি এর প্রতিবাদ করে বলেছে, এতে জেলে পোরার কথা ছাড়া আর কিছু নেই। উল্লেখ্য যে, ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ১৪ বছর জেল বা যাবজ্জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতার বিরুদ্ধেপ্রোপাগান্ডা করলে যাবজ্জীবন কারাদ- বা সর্বোচ্চ তিন কোটি টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরীর রিপোর্ট।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:12 0:00

XS
SM
MD
LG