অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু


বাংলাদেশে কর্ণফুলী নদীর দু'পাড়ে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসন। বাংলাদেশের আমদানী-রফতানীর ৮০ শতাংশই পরিবাহিত হয় এই কর্ণফুলী নদী দিয়ে।

২০১০ সালে জনস্বার্থে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন দেশটির সবোর্চ্চ আদালতে রীট মামলা দায়ের করে। ঐ মামলায় আদালতের নির্দেশে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসন জরিপ চালিয়ে ২ হাজার ১১২টি স্থাপনা চিহিৃত করে। ২০১৬ সালের আগষ্টে হাইকোর্ট এসব অবৈধ স্থাপনা ৯০ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। নানা জটিলতায় আটকে যায় উচ্ছেদ কার্যক্রম।

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার সকাল থেকে শুরু হয় নদীর দু’পাড় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম। এতে যোগ দেয় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, বন্দর কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব-পুলিশসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এসময় গুড়িয়ে দেয়া হয় বিভিন্ন প্রভাবশালীর গড়ে তোলা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা।

নদীর দু’পাড় থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে বন্দর কার্যক্রমে আরো গতিশীলতা বাড়বে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডর খন্দোকার আক্তার হোসেন। চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, বন্দর চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশরক্ষায় অভিযান অব্যহত রাখার কথা জানান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।

please wait

No media source currently available

0:00 0:00:58 0:00

XS
SM
MD
LG